বাঁশখালী প্রতিনিধি: বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়নের আজানী পাড়া এলাকায় এক বিরোধ পুর্ণ জায়গা প্রভাব খাটিয়ে আদালতে আদেশ অমান্য করে পাহাড়ি মাটি দিয়ে ভরাট করার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে ।
সে কাজে স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহযোগিতা রয়েছে প্রতিপক্ষ অভিযোগ করলে ও চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে কিছই অবগত নয় বলে জানান সিটি নিউজকে। পাহাড়ি মাটি দিয়ে ভরাট কাজ চালিয়ে যাওয়া জায়গাটিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে কাজ বন্ধ থাকে চলে আসলে ও আবারো কাজ চলে এমন ও অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, চাম্বল ইউপির ৫ নং ওয়ার্ডের আজানী পাড়ার এলাকায় পূর্ব চাম্বল মৌজার বিএস ৪৫২৯/৪৫৩০নং দাগের ৩২ শতক জমির মধ্যে প্রায় ৮ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। সম্প্রতি ওই সম্পত্তির দাবিদার মৌলভী রুহুল কাদের বাঁশখালী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে নালিশী সম্পত্তি নিয়ে একটি মোকদ্দমা নং অপর ২৬০/১৬ করলে গত ২১ অক্টোবর ২০১৯ ইং আদালত ওই সম্পত্তিতে কোনো প্রকার স্থাপনা নির্মাণ, আকার আকৃতি পরিবর্তন না করা ও মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষের মধ্যে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য বাঁশখালী থানার ওসিকে আদেশ দেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের লোকজন তা ভরাট করছে মর্মে ২৮ এপ্রিল থানায় একটি অভিযোগ প্রদান করে ।
এরই প্রেক্ষিতে শনিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, একদিকে ট্রাকে করে মাঠি ভরাট অপরদিকে পাঁকা পিলার দিয়ে স্থাপনা নির্মানের কার্যক্রম চলছে। জানতে চাইলে ট্রাক ড্রাইভার এবং স্থানীয়রা জানায়, জায়গার মালিক আমাদের দিন মজুর দিয়েছে। আমরা এর বাইরে কিছু জানিনা।
অভিযোগ কারী মৌলভী রুহুল কাদের করেন, ওই সম্পত্তির ৮ শতক জমি আমি ২০১৫ সালে আব্দুল গফুর, নুরুল কবির, শামসুজ্জামান ও ছাবের আহমদের ওয়ারিশ থেকে ২ টি দলিল মূলে ক্রয় করেছি। স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় অপরপক্ষ জোর করায় আমি বাঁশখালী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করি। উক্ত মামলা বিচারাধীন চলাকালে বিজ্ঞ আদালতের স্থিতিবস্থায় বজায় রাখার আদেশ অমান্য করে জোর পূর্বক আমার জায়গাটিতে পাহাড়ী মাঠি দিয়ে ভরাট করে এবং প্রতিনিয়ত আমাকে হত্যার হুমকি দমকি দিয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে সে জানায়, এখানে দুটি পক্ষ, যে অভিযোগ করেছে তার ১ গন্ডা জায়গা রয়েছে। বাকি গুলো অপর পক্ষের, অন্য জায়গা ভরাট করতে গেলে তারা বাঁধা দেয় এর বাইরে আমি আর বেশি কিছু জানি না বলে দৈনিক আজাদীকে জানান।
এদিকে বাঁশখালী থানা পুলিশের এসআই মো: মানুনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও রুপ পরিবর্তণ না করার জন্য প্রতিপক্ষকে অবহিত করে বলে বাঁশখালী থানা সুত্রে জানা যায়।
সিটি নিউজ/এসআরএস /কেবি
