‘বাংলামতী’র বাম্পার ফলন, রপ্তানির ব্যবস্থার দাবি কৃষকদের

0

কৃষি সংবাদ: যশোরের শার্শা বেনাপোলে বাসমতী (বাংলামতী) বি ৫০ জাতের সুগন্ধি ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বাংলামতী ধানের দাম পড়ে যাওয়ায় চাষিরা হতাশ। চাষি ও ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, বাংলামতী ধান বিদেশে রপ্তানি করতে পারলেই খরচ উঠবে তাদের। তাই সরকারের কাছে বাংলামতী ধান বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি কৃষকদের।

সুগন্ধি ধান বাসমতী। দেশের শৌখিন মানুষের কাছে সুগন্ধি বাসমতী চালের কদর ব্যাপক। আগে ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা ছাড়া এই সুগন্ধি চাল পাওয়াই যেত না।

তিন বছর ধরে শার্শার বেনাপোলে বাংলামতী নামে বাসমতীর চাষ শুরু হয়েছে। এবার উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে বাংলামতী ধানের চাষ হয়েছে। ফলনও হয়েছে ভালো। প্রতি হেক্টরে ৪ কুইন্টাল ধান ফলেছে বলে জানান উপজেলা কৃষি অফিসার হীরক কুমার সরকার। কৃষকরা জানান, সুগন্ধি বাংলামতী ধানের ফলন ভালো পেলেও দাম পাচ্ছেন কম। লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।

শার্শার বাংলামতী ধানচাষি বাদল হোসেন ও আবু জাহিদ বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে বাংলামতী চাষে খরচ হয়েছে ১০-১১ হাজার টাকা। ধান হচ্ছে ১৮-২০ মণ। দাম প্রতি মণ ৮৫০-৯০০ টাকা। ফলে খরচ উঠছে না তাদের।

নাভারন বাজারের ধান ব্যবসায়ী নুর হোসেন ও বেনাপোলের ধান-চালের ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান আজিজ বলেন, বাংলামতী ধান মিনিকেট ধানের চেয়ে কম মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। ফলে চাষি ও আড়তদাররা হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত। চাষিরা আগ্রহ হারাচ্ছেন বাংলামতী ধান চাষে।

বাগআচড়ার বাংলামতী ধানচাষি আবু জাফর ও কিষানি স্বপ্না বেগম বলেন, ‘অনেক আশা করে এক বিঘা জমিতে বাংলামতী ধান চাষ করেছিলাম। ফলনও হয়েছে ভালো। তবে দাম কমে যাওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে।’

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.