নির্বাচন এলাকা ত্যাগ করলেন রাউজানের বিএনপি মেয়র প্রার্থী

0

চট্রগ্রাম অফিস :: রাউজানে বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাজী আবদুল্লাহ আল হাছান নির্বাচনী মাঠ নিজের প্রতিকূলে দেখে পৌর এলাকা ত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, সকাল আটটা থেকে সোয়া নয়টার মধ্যে গহিরা থেকে রাউজান সদর পর্যন্ত ১১টি কেন্দ্রে গেছি কিন্তু কোথাও আমার এজেন্টকে পাইনি। খবর নিয়ে জানলাম ১৯টি কেন্দ্রেই ধানের শীষের এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে। সবাইকে সরকার দলীয় প্রার্থীর লোকজন বের করে দিয়েছে। লাইন আছে তবে সেখানে ভোটার নাই, সবাই বহিরাগত লোকজন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রাউজানে প্রহসনের নির্বাচন হচ্ছে। এখানে সরকার দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার নীলনকশা চূড়ান্ত। এর আগে সব ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এমনকি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদেরও বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।’

কোথাও বাধা পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতি পদে পদে বাধা পেয়েছি। মিডিয়ার ভয়ে তারা গায়ে হাত তোলা বাকি রেখেছিল। সন্ত্রাসীরা আমাকে বলেছে, আপনি চলে যান। তখন আমি প্রাণভয়ে শহরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছি।’

তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেবাশীষ পালিত বলেছেন, ‘সকাল থেকে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আজ (বুধবার) সকালে বিএনপি প্রার্থীর নিজের কেন্দ্রে তার সঙ্গে আমার সঙ্গে দেখা হয়েছে। করমর্দন করেছি আমরা।’

বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ প্রসঙ্গে নৌকা প্রতীকের এ প্রার্থী বলেন, ‘নির্বাচনে ভরাডুবি হবে এটা আঁচ করতে পেরেই তিনি হয়তো মাঠ ছেড়ে চলে গেছেন। রাউজানের মানুষ অত্যন্ত সচেতন। তারা ভালো করেই জানেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের অংশীদার হতে হলে নৌকাকেই ভোট দিতে হবে। আমি গণসংযোগের সময় নৌকার পক্ষে গণজোয়ার দেখেছি।’

রাউজানে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দেবাশীষ পালিত (নৌকা), বিএনপির কাজী আবদুল্লাহ আল হাছান (ধানের শীষ), আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগী সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা (জগ) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর মোহাম্মদ মনসুর আলম (মোবাইল) মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন। তবে রানা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। সময় পার হয়ে যাওয়ায় তার প্রতীকও ব্যালটে থাকবে।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.