লাইফস্টাইল ডেস্ক : শিশুর সুস্থতা বজায় রাখতে বাবা মায়েরা সবসময় থাকেন ব্যস্ত। তার শরীর ঠিকমত পুষ্টি পাচ্ছে কিনা, তার স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে তাদের চিন্তার অন্ত নেই। যদি শিশুর স্বাস্থ্যর ঠিকমত পুষ্টি নাপায় তাহলে তাদের অবনতি খুব সহজেই দেখা দেয়। একই সঙ্গে শিশুর বুদ্ধির বিকাশ ব্যহত হয়। লেখাপড়ায় অমনোযোগী এবং শারীরিক বিকলঙ্গতা পর্যন্ত দেখা দিতে পারে।
তাই শিশুর স্বাস্থ্য ও অনাবিল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কিছু করণীয় দিক মায়েদের লক্ষ্য রাখতে হবে। যেমন-
শিশুর প্রথম ও একমাত্র খাবার হিসেবে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। দুধ ছাড়া পানি খাওয়ানোরও প্রয়োজন পড়ে না। মায়ের বুকের দুধই বাচ্চার একমাত্র খাদ্য হবে। শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হয়ে গেলে, মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানো শুরু করে দিতে হবে। শিশুর শরীরে সব ধরনের পুষ্টি পেতে মিশ্র খাবার দিতে হবে। পরিবারে তৈরি করা যেতে পারে তেল, ডাল, চাল, শাকসবজি, ডিম, মাছ, মাংস সহযোগে পাকানো আধা তরল খাবার খিচুড়ি। শিশুদের জন্য এটি দারুণ উপযোগী খাবার। বুকের দুধের পাশাপাশি দুধ, মাংস, ডিম জাতীয় উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার দেয়া যেতে পারে। এতে শিশুর প্রোটিন সরবরাহ নিশ্চিত হয়। শিশুকে অবশ্যই সময়মত টিকা দিতে হবে। মারাত্মক কিছু শিশুরোগ প্রতিরোধ করে, শিশুর স্বাস্থ্যের সুরক্ষা করতে,এসব টিকা দেয়া জরুরি। মায়ের উচিত দুইটি সন্তান গর্ভধারণের ন্যুনতম বিরতিকাল মেনে সন্তান গ্রহণ করা। এতে করে প্রতিটি শিশু পূর্ণ মেয়াদে মায়ের বুকের দুধ পান করে স্বাভাবিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে পারে।
মায়ের বুকের দুধ খাওয়া বাদ হয়ে গেলে নিয়মিত দুধ, ডিম, মাছ, মাংস এবং শাক-সবজি খাওয়ার অভ্যাস রাখতে হবে। বাচ্চাদের শারীরিক গড়ন স্বাভাবিক রাখতে এবং পুষ্টির চাহিদা মেটাতে অবশ্যই খাওয়া দাওয়া ঠিক রাখতে হবে। বাচ্চা ঠিক মতো খেতে না চাইলে জোর করে খাওয়াবেন না। তাকে নানা ভাবে বুঝিয়ে বার বার খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে। জোর করে খাওয়ালে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
