আনোয়ারার বৈরাগে ওডেব তথ্যমেলা

0

সৈয়দ শিবলী ছাদেক কফিল: আনোয়ারায় ওডেব তথ্য মেলা-২০১৬ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও সিডার আর্থিক ও ডিয়াকোনিয়ার কারিগরি সহায়তায় ইপিটিএএলজি প্রকল্পের আওতায় “অর্গানাইজেশন ফর উইমেন্স ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ” ওডের’র আয়োজনে ২০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় ছিল সরকারি, বেসরকারি, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের সেবার তথ্য।

তথ্য মেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম ও ইউপি চেয়ারম্যান মো: নোয়াব আলী চৌধুরীর সহযোগিতায়, ওডেব’র প্রধান নির্বাহী শ্যামলী মজুমদারের নির্দেশনায় ১ নং বৈরাগ ইউনিয়ন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মেলায় সভাপতি ছিলেন ওডেবর শিক্ষা বিষয়ক প্রকল্প কর্মকর্তা এ এইস এম হোসাইন মোহাম্মদ মনসুর, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাম্মৎ মরিয়ম বেগম, কষি অফিসার মো: একরাম উদ্দিন প্রমুখ। সুশাসন ও অধিকার বিষয়ক স্কুল ভিত্তিক বিতর্ক প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন করেন গুয়াপঞ্চক উচ্চ বিদ্যালয় ও মাহাতা পাঠনীকোটা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। উপস্থিত বক্তৃতায় অংশগ্রহন করেন ইউপি নারী সদস্যরা। বিচারক ছিলেন এডভোকেট রিমন দাশ ও প্রভাষক রাশিদা সুলতান।

এছাড়াও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য সম্প্রচার, পুরস্কার বিতরণ ও শৈবাল দাশের নেতৃত্বে ওডেব সাংস্কৃতিক দলের পরিবেশনায় তথ্য ভিত্তিক পথ নাটক “রাজপথে আমরা সবাই” ও জারীগান“নারী-পুরষের সমতা ও উন্নয়ন”। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ওডেব’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক কান্তা মলিক এবং সঞ্চালনায় ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী লাবণ্য মুৎসুদ্দী, আঁখি আক্তার ও মাহমুদুল হক। দিনব্যাপী এই মেলায় তথ্য ভিত্তিক স্টল দিয়ে অংশগ্রহন করে বৈরাগ ইউনিয়নের তথ্য সেবা কেন্দ্র, সংশপ্তক, সূর্যের হাসি, পরিবার পরিকল্পনা, ব্রাক, ওডেব, বাস্ট, একটি বাড়ি একটি খামার, টিআইবি, সন্ধানী ও আঙ্গিণা।

সার্বিক সহযোগী ছিলেন ভাস্কর বিশ্বাস, হেলাল মিয়া, হাসিনা আকতার, সুলতানা আকতার ও মাহফুজুর রহমান। এমেলায় নারী-পুরষের অংশগ্রহন ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। এখানে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি বলেন, ওডেব পর পর তিন বৎসর আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই তথ্য মেলার আয়োজন করে যাচ্ছে। তাদের এই আয়োজন সত্যিই প্রসংশনীয়, এতে শিক্ষার্থীরা ও ইউপি সদস্যের কথা বলার একটা পাটফর্ম তৈরী হচ্ছে,জনগনের কাছে তথ্য দারগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন সংগঠন তাদের তথ্য অবমুক্তকরনে উৎসাহিত হচ্ছে ।

বক্তারা বলেন, কিছু বিশেষ সংস্থা ছাড়া সরকারি বেসরকারি ও শায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য অধিকার ২০০৯ অনুসারে যে কেউ তথ্যের জন্য আবেদন করতে পারে। নির্ধারিত কিছু তথ্য ছাড়া এ আইনে অন্য যে কোন তথ্য প্রদানে প্রতিষ্ঠান বাধ্য থাকবে। এ আইনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। জেন্ডার বৈষম্য দূরীকরনের মাধ্যমে নারী অধিকার নিশ্চিত হয়।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.