আবছার উদ্দিন অলি: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি’ খ্যাতিমান গীতিকার আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর লেখা ও দেশ বরণ্যে সুরকার আলতাপ মাহমুদ এর সুরে এই কালজয়ী গানটি একুশের চেতনায় আমাদের উজ্জীবিত করেছে। আমাদের সাহস, অনুপ্রেরণা উৎসাহ যুগিয়েছে। এই একটি গান এত জনপ্রিয় যে, যাকে এখনো অন্য কোন গান জনপ্রিয়তার দিক থেকে অতিক্রম করে যেতে পারিনি। তাইতো একুশের গান বাংলা ভাষার অহংকার। বিনম্র শ্রদ্ধায় পালিত হলো একুশে ফেব্রুয়ারী। তবে এবার একুশে ফেব্রুয়ারীর প্রেক্ষাপটটা একেবারেই ভিন্ন। মানুষের মধ্যে ভয়, শংকা আর রাজনীতিক অস্থিতিশীলতা, দীর্ঘ দুই মাসের বর্তমান অচলাবস্থা আমাদের নিয়ে যাচ্ছে অনিশ্চিত গন্তব্যে। প্রভাত ফেরীতে যেতে ভয় পাবো, শহীদ মিনারে যেতে ভয় পাবো, ফুল দিতে ভয় পাবো, এমন বাংলাদেশতো আমাদের কাম্য ছিলনা। বিশিষ্ট সুরকার ও সংগীত পরিচালক বাসু দেব ঘোষ বলেন- একুশ আমাদের অহংকার, একুশ আমাদের গৌরব। গানে গানে, সুরে সুরে চেতনায় একুশ ছড়িয়ে পড়ুক বাংলার প্রতিটি পথে প্রান্তরে। বীর মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার এস.এম. খুরশীদ বলেন, বাঙালীর মাতৃভাষা, রাষ্ট্রভাষার আন্দোলনে বাঙালীর রক্তে রাঙা ‘একুশ’ এখন ‘বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস’ ইউনেস্কোর মূল্যায়ন। সংগীত শিল্পী ইফতেখার সাদী বলেন, সর্বস্তরে আজও বাংলা চালু হয়নি। অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য, উচ্চশিক্ষা, গবেষণাসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এখনো ইংরেজির প্রাধান্য বেশি।
১৯৫২ থেকে ২০১৬ ছয় দশকের এই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় আমরা দেখলাম, একুশে ফেব্রুয়ারী আমাদের অন্তহীন প্রেরণার উৎস। সেই ফেব্রুয়ারীর ২১ তারিখে বাঙালি তরুণেরা মাতৃভাষার মর্যাদার দাবিতে ঢাকার রাজপথে যে রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন, এই ফেব্রুয়ারীর সেই রক্তেরই ডাক শুনেছে সমগ্র বাংলাদেশ। এবারের ডাক ন্যায়বিচারের, মানবতার ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সংঘটিত ইতিহাসের নৃশংসতম অপরাধের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান। ৫২’র শহীদ, তোমাকে সালাম। মাতৃভাষার দাবিতে বাঙালি তরুণদের সেদিনের আত্মবলিদান শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, ক্রমেই একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বপ্ন ও অঙ্গীকার দানা বেঁধেছিল। সে স্বপ্নই স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধসহ ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে আমাদের পথ দেখিয়েছে। তাই ফেব্রুয়ারী স্বাধীনতা, মুক্তি, সাম্য, গণতন্ত্র-আধুনিক বাঙালির সব শুভ চেতনার মাস। তার পর আমাদের একুশে ফেব্রুয়ারীর মিলেছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এই দিবসটি এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসও বটে। মাতৃভাষা বাংলার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের মহিমা ছড়িয়ে পড়েছে ভৌগলিক সীমারেখা অতিক্রম করে পৃথিবীর সব জাতি-গোষ্ঠীর মাতৃভাষার স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে। সত্য, ন্যায়, শান্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের দৃঢ় অঙ্গীকারের বার্তা ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয় এই দিনে। সবার সব পথ এসে মিশে গেছে শহীদ মিনারে। কন্ঠে ছিল সেই চিরচেনা বিষন্ন সুর। অনুপ্রাণিত ভোরের হাওয়ায় মর্যাদা সুমন্নত রাখতে বাংলা মায়ের বীর সন্তানদের বুকের রক্ত ঢেলে রাজপথ রাঙিয়ে দেওয়ার দিন অমর একুশে ফেব্র“য়ারি। দিনটি সারা বিশ্বে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। একুশ মানেই মাথা নত না করা। একুশ মানেই আন্দোলন, সংগ্রাম, প্রতিরোধ।
চট্টগ্রামে একুশের গান লিখেছেন- গীতিকার আবদুল গফুর হালী, সৈয়দ মহিউদ্দিন, এম.এন আখতার, খুরশিদ আনোয়ার, মমতাজ আলী খান, ড. ময়ুখ চৌধুরী, ডা. গোলাম মোস্তফা, এস.এম খুরশীদ, লিয়াকত হোসেন খোকন, এস.আনিস আহমদ বাচ্চু, জহুরুল ইসলাম, মুহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, সুরজিত রাহা দাসু, ফারুক হাসান, জসিম উদ্দিন খান, জি.কে.দত্ত, দিলীপ ভারতী, পংকজ দেব অপু, এ.কে.এম জয়নাল আবেদীন, মোঃ ওবায়দুল্লাহ, অধ্যাপিকা ডা. খোদেজা খুরশিদ অপরাজিতা, আবছার উদ্দিন অলি, মাহাবুবুল আলম বাবুল, ডা. শফি সুমন, তসলিম উদ্দিন আহমদ, খোরশেদুল আনোয়ার, এয়াকুব সৈয়দ, দীপক আচার্য্য, সরোয়ার হোসেন নবাব, আবদুল লতিফ ওয়াসেকপুরী, সঞ্জিত আচার্য্য, মহসীন ভূঁইয়া, সৈয়দ খালেদুর আনোয়ার, ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ, ইসমাইল মানিক, মুন্সি ওয়াদুদ, শতাব্দী সাহা মনি, সুফী মোহাম্মদ নাঈম, মৌসুমী সেন, দীপক আচার্য্য, ড. আহমেদ মাওলা, মাসুম ফেরদৌস, মাহফুজুল হক, মৃনালীনি চক্রবর্তী, নুর নবী রাজু, কমরে আলম, রুহুল কুদ্দুস, জামাল রেজা, শাহীন আনোয়ার, হুমায়ুন চৌধুরী।
বিশ্বের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর নিজ নিজ মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও বিকাশের বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক অধিকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আমাদের এই দেশেও সংখ্যার দিক থেকে ছোট অনেক জনগোষ্ঠীর ভিন্ন ভিন্ন মাতৃভাষা রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতির পাশাপাশি সব সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষা ও সংস্কৃতির স্বকীয় পরিপুষ্টির সুযোগ অবারিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। শুধু আনুষ্ঠানিকতায় মাতৃভাষায় মর্যাদা নেই, সর্বস্তরে মাতৃভাষার প্রচলন ঘটলেই কেবল তার মর্যাদা পায়। শিক্ষাসহ জীবনের সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করার ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। প্রথমে প্রয়োজন একটি জাতীয় ভাষা পরিকল্পনা। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন কিছু স্থায়ী প্রতিষ্ঠান ও মানুষ, যাঁরা বাংলা ভাষার বিকাশের লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ করে যাবেন।
চট্টগ্রামে একুশের গান গেয়েছেন সংগীত শিল্পী প্রবাল চৌধুরী, মিহির লালা, মিহির কুমার নন্দী, আব্দুল মান্নান রানা, কুমার বিশ্বজিৎ, তপন চৌধুরী, রবি চৌধুরী, আইয়ুব বাচ্চু, সামিনা চৌধুরী, পার্থ বড়ুয়া, নাসিম আলী খান, নকিব খান, নিশান শুভ্র, শহীদ, অরিন, রন্টি, নিশিতা, সাব্বির, রাশেদ, মুন, আতিক হাসান, কিশোর, সুজিত রায়, মৃনাল ভট্টচার্য, মোস্তফা কামাল, নাজমুল আবেদীন চৌধুরী, জয়ন্তী লালা, উত্তর কুমার দত্ত, মানস পাল চৌধুরী, সাইফুদ্দীন মাহমুদ খান, আলমগীর আলাউদ্দিন, আবদুর রহিম, কায়সারুল আলম, আলাউদ্দিন তাহের, ফজলুল কবির চৌধুরী, শংকর দে, স্বপন কুমার দাশ, রুনা পারভীন, শিরিন আকতার, আলেয়া আরিফ, অনামিকা তালুকদার, রুহি মোস্তফা, শাকিলা জাহান, নির্মল বৈদ্য, ফরিদ বঙ্গবাসী, কল্পনা লালা, গীতা আচার্য্য, সুবর্ণা রহমান, পলি শারমিন, দীপক আচার্য্য, সঞ্জিত আচার্য্য, তাপস চৌধুরী, রঞ্জন চৌধুরী, ইফতেখার সাদী, আলম আশরাফ, গাজী মওদুদুর রহমান, বোরহান উদ্দিন চৌধুরী টিপু, অচিন্ত্য কুমার দাশ, ত্রিদিব বড়ুয়া রানা, জয়শ্রী ধর টুম্পা, দিলরুবা মারিয়া, লূভনা হুমায়ুন সুমি, শাহরিয়ার খালেদ, জেলী চৌধুরী, দিদারুল আলম, দীপেন চৌধুরী, জ্যাকব ডায়াস, ইকবাল হোসেন, ইমরান, চন্দ্র শেখর দত্ত, তরুন বিকাশ লালা, ইকবাল পিন্টু, মারিয়া শারমিন মুন্নী, তাপস বড়ুয়া, সৈকত দাশ, মুন্না ফারুক, সুতফা চৌধুরী মুমু, লুবনা জান্নাত, জেবুন্নেছা পপি, রাজীব ভট্টাচার্য্য, বীনা পানি চক্রবর্তী, রুবি দাশ গুপ্ত, রাজশ্রী আচার্য্য, দীলিপ দাশ, নজরুল ইসলাম মাহমুদ, মিয়া মোঃ বদরুদ্দিন, কাশপিয়া আবেদীন, সুব্রত দাশ অনুজ, আবুল কাশেম, কান্তানন্দী, রোকশেদ খান, মনোজ সরকার, আকলিমা আক্তার মুক্তি, কেয়া লাহড়ী, হাসান জাহাঙ্গীর, রতন কুমার বড়ুয়া, মিতানুর, শাপলা পাল, বদরুল হাসান টিটু, জুয়েল পাল, রিকু দাশ, হানিফ চৌধুরী, অনন্যা দাশ গুপ্তা, তন্বী দত্ত, সঞ্জয় চৌধুরী, ইমতেখাব আলম মান্না, পাপিয়া আহমেদ, হৈমন্তি রক্ষিতমান, শারমিনা চৌধুরী তিনা, দিল আফরোজ, মোস্তাক আহাম্মেদ, শর্মিলা বড়ুয়া, মাহবুবুল আলম, খোদেজা বিথি, ডেজি, হুমায়ুন চৌধুরী, জাহিদ হোসেন, দেবরাজ দত্ত ডেবিট, ঐশ্বর্য দেবী, সাজিয়া মুমতাহিনা নিহা, ফারজানা সালাউদ্দিন, সাবিনা ইয়াসমিন, কামরুল আজম টিপু, কাজল চৌধুরী, সুষ্মিতা মাওলা, ফরিদা করিম, ফাহমিদা রহমান, নুসরাত জামান স্নিগ্ধা, ইকবাল হায়দার, জনি খন্দকার, মিলন আচার্য্য, শিমুল শীল, লোকমান চৌধুরী রাশু, মোহাম্মদ হোসেন, আবদুস সাত্তার, প্রফুল্ল রঞ্জন, শরন বড়ুয়া, নির্বাচিতা মুৎসুদ্দী, সুপর্না রায় চৌধুরী, কাকলী দাশ গুপ্ত, কৃষ্ণা দাশ, শিলা চৌধুরী, কুশল দে, শিউলী মজুমদার, কলি চৌধুরী, এহসানুল করিম, নারায়ণদাশ, তাহমিনা আক্তার, আফরোজা শাহীন রেখা, প্রিয়া মজুমদার ও তসলিমা আক্তার, দিলীপ বড়–য়া, শীলা চৌধুরী, প্রকাশ বড়ুয়া, পান্না চেমন, শান্তা, আহসান হাবীবুল আলম, বেলী, কনক গাঙ্গুলী, অশোক সেন গুপ্ত, বৈশাখী দাশ, লিটন সেন। চট্টগ্রামে সর্বাধিক একুশের গান ও সুর করেছেন- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী সুজিত রায়, বানী কুমার চৌধুরী, আবু তাহের চিশ্তী, সাইফুদ্দীন মাহমুদ খান, আলমগীর আলাউদ্দিন, ফজলুল কবির চৌধুরী, তাপস কুমার বড়–য়া। তাদের সুরকরা গান চট্টগ্রামে প্রথম সারির সব শিল্পীরা গেয়েছেন।
গীতিকার ডা: খোদেজা খুরশিদ অপরাজিতা বলেন- ‘ফাগুণ আসিলে আগুন জ্বলে বাঙালী জাতির মনে’ বরকত, সালাম, রফিক, জব্বার আসে সংগোপনে। সংগীত শিল্পী বৈশাখী দাশ বলেন, কাগজে-কলমে বাংলা বাংলাদেশের মাতৃভাষা রাষ্ট্রভাষা। বিষয়টি আমাদের মনে রাখতে হবে। একদিন ঘটা করে ২১ফেব্র“য়ারী পালন করলাম, আবার পরদিন ইংরেজি বাবু হয়ে গেলাম, এটা যেন না হয়। গীতিকার দিলীপ ভারতী বলেন, শিশুদের শিক্ষাক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যমের প্রসার ঘটে চলেছে, সাধারণ বিদ্যালয়গুলোয় বাংলার প্রতি অবহেলা বাড়ছে। শুধু আনুষ্ঠানিকতায় মাতৃভাষার মর্যাদা নেই; সর্বস্তরে মাতৃভাষার প্রচলন ঘটলেই কেবল তার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা পায়। শিক্ষাসহ জীবনের সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করার ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। শিল্পী আহসান হাবীবুল আলম বলেন- একুশ আমার অস্তিত্ব ফাগুনের কত কথা, একুশ আমার বাঙালীত্বের সোচ্চার বাস্তবতা। সুরকার আবু তাহের চিশ্তী বলেন- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা আমাদেরকে দিতে হবে। সম্মান করতে হবে বাংলা ভাষাকে। কারণ যে ভাষায় ‘মা’ ডাকতে শিখেছি সে ভাষার আদর কদর আমাদের অবশ্যই এগিয়ে নিতে হবে। সংগীত শিল্পী কনক গাঙ্গুলী বলেন- মহান ভাষা শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। এই মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার মাধ্যমে পৃথিবীর সকল মাতৃভাষাকে একটি সম্মান জনক স্থান প্রদানের বিষয়টি আন্তর্জাতিক গুরুত্ব লাভ করেছে।
মহান একুশে ফেব্রুয়ারী বাঙালির জীবনে শোক, শক্তি ও গৌরবের প্রতীক। ১৯৫২ সালের এ দিনে ভাষার মর্যদা রক্ষা করতে প্রাণ দিয়েছিলেন রফিক, শফিক, জব্বার, বরকত, সালামসহ আরও অনেকে। আজ সারাবিশ্বের সকল নাগরিকের সত্য ও ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রেরণার উৎস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। সকল ভেদাভেদ ভুলে একুশের উদ্বুদ্ধ হয়ে জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার শপথ নেই। একুশের গান বাংলা ভাষার অহংকার, বিষয়টি আমাদেরকে সবার আগে মনে রাখতে হবে। একুশের গানই আমাদের সকল আন্দোলন-সংগ্রাম, চেতনার উৎস। আমাদের সংস্কৃতিতে একুশের ভূমিকা ও গুরুত্ব অতুলনীয়। একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদের মূল্যবোধকে জাগ্রত করতে পারলেই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথচলা সহজ ও সুন্দর হবে।
