চট্রগ্রাম : পণ্যের গুণগতমান যাচাই ছাড়াই বেকারী সামগ্রী বিক্রয় ও বিতরণ করায় চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানহাট ও বিবিরহাট এলাকার সাত প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছে বিএসটিআই।
মঙ্গলবার বিএসটিআই কর্মকর্তা মো. সাফায়েত হোসেন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। বিএসটিআই চট্টগ্রামের পরিচালক মো. সাইদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন মেসার্স মিঃ টুনি ফুডের মালিক মো. আবু নাসের চৌধুরী ও মো. আখতার হোসেন, মেসার্স মুম্বাই সুইটস এন্ড বেকার্সের মালিক মো. মহিউদ্দীন, মাবিয়া বেকারীর মালিক আব্দুল হাকিম, মেসার্স তৃপ্তি ফুডস প্রোডাক্টস এন্ড কনফেকশনারীর মালিক আবু সাইদ, মেসার্স বজল বেকারীর মালিক নুরুল আবছার, মেসার্স মায়ের দোয়া বেকারীর মালিক মো. রিপন এবং মেসার্স হাজী মান্নান বেকারী এন্ড কনফেকশনারীর মালিক মোঃ আব্দুল হাকিম।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানহাট ও বিবিরহাট এলাকার বেকারী সামগ্রী (পাউরুটি, বিস্কুট ও কেক) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সোমবার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে ৭ টি বেকারী সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের গুণগত মান যাচাই ব্যতীত ও বিএসটিআই এর লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়ন না করে পণ্য বিক্রয় ও বিতরণের অপরাধে “বিএসটিআই অর্ডিন্যান্স ১৯৮৫ এবং সংশোধিত আইন ২০০৩” এর ২৪ ধারার পরিপন্থি এবং ৩১-এ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচ্য হওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মূখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা দয়ের করা হয়েছে।
বিএসটিআই চট্টগ্রামের পরিচালক মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, বেকারীর উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান যাচাই ও লাইসেন্স ব্যতীত পণ্য বিক্রয় ও বিতরণ করার দায়ে চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানহাট ও বিবিরহাট এলাকার সাত প্রতিষ্ঠানের আটজন মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত বেকারী সামগ্রী উৎপাদনে এসকল অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হয়েছে।
বিএসটিআই’য়ের এ অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।
