নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্রগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন ৩৯নং ওয়ার্ড (কাজীর গলিস্থ)আঃ মিয়াজী বাড়ীতে গত ২ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার বিকেলে বাড়ীর পিছনে দীর্ঘদিন যাবত জৈনক সাদেক হোসেনের ভাড়াঘরে অসামাজিক-কার্যকলোপ, মাদক-জুয়ার আসর ও ইয়াবা বিক্রিকরে যুব সমাজ কে ধ্বংস করে এলাকায় বিশৃংখলা পরিবেশ তৈরি করছেন ।
এই অসামাজিক-কার্যকলোপ ও মাদক বিক্রির প্রতিবাধে বাড়ীর অন্যান্যদের মতো এলাকাবাসীও প্রতিরোধ সরূপ ঐ সাদেক হোসেনের ভাড়াঘরে অসামাজিক-কার্যকলোপ, মাদক-জুয়ার আসরও ইয়াবা বিক্রি বন্ধ করতে গিয়ে তীব্র্র বাধার মুখে জনতা কাকে গণধোলাই দেন । এতে সে আহত হোন এবংবাম পায়ে মারত্মক জগমও হয়।
এর জের ধরে সাদেকের প্রত্যক্ষ মদদে একই বাড়ীর মোঃ ইব্রাহিম(লেঠা),মোঃ ইয়াকুব-পিতাঃমৃত মোজাফ্ফর,আব্দুল আলাম (নয়ন),পিতাঃআব্দুল আজিম(হুজর) সহ আরো একাধিক স্বশস্ত্র লোকজন লাটি,রড,কিরিচ-অবৈধঅস্ত্র নিয়ে হামলা করতে আসলে সচেতন জনতার প্রতিরোধে উক্ত চিহ্নিদ ব্যক্তিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হোন । পরে ইপিজেড থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দিলেও সন্ধার দিকে দৈনিক ভোরের সময় পত্রিকা ও চিটাগাং ডেইলি নিউজের সিঃ প্রতিবেদকের বসত ঘরে হামালা দেন ।
এতে বাধা দিলে সাংবাদিকের ভাবী রেহেনা বেগম কে সাদেক গংএর ইব্রাহিম(লেঠা),মোঃ ইয়াকুব, নয়ন,আজাদ সহ উৎশৃংখল যুবকরা লোহার রড ও লাখড়ী দিয়ে মেরে বাম হাতের কবজী,৩টি আঙ্গুল ও কুনাই আঘাত করে। আহত সাংবাদিকের ভাবী রেহেনা বেগম কে প্রথমে নিকটস্থ হাসপাতালে পরে রাত্রেই ছেলে হৃদয় হাসান চমেক হাসপাতালের ২৬নংওয়ার্ডের ১২/সি ব্যাডে ভর্তি করান ।
এব্যাপারে ইপিজেড থানায় রাতেই অভিযোগ করে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতাররের দাবি জানান সাংবাদিক পরিবার রাত ১১.৩০মিঃ চমেক-পুলিশ বক্স এ পুলিশ কেইস লিপিবদ্ধ করে ইনচার্জ এস আই মিলন। ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমনকে জানালে তিনি দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের পরামর্শ দেন । বিষয়টিঅভিযোগ পাওয়ার পর ইপিজেড থানা সাব ইন্সিফ্টের নয়ন বড়ুয়া ঘটনাস্থলে এসে এর সত্যতা পান বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানান । তদন্ত অফিসার নয়ন বড়ুয়া জানান যে,হামলায় মহিলা(রেহেনার) আঙ্গুল ভেঙ্গে গেছে । পরে রাত্র ১২টায় ওসি তদন্ত বিষয়টি মামলার জন্য তদন্ত অফিসার নয়ন বড়ুয়াকে নির্দেশ দিয়ে সাংবাদিক পরিবার কে পুলিশি নিরাপত্তার জন্য টইল পুলিশ জোরদার করেন । ঘটনা টি নিয়ে পুরো এলাকায় চরম অসন্তুষ বিরাজ করছে এবং যেকোন মূহত্বেই মারাত্মক রক্ত ক্ষয়ি সংঘর্ষও গঠে যেতে পারে ।
উল্লেখ্য,২০১২সালে ৩ এপ্রিল জৈনক সাদেক হোসেনের ভাড়াঘরে বসতবাড়ীর পিছন থেকে র্যাব-৭ অভিযান করে মাদক সহ ৪ জুয়াড়ী কে নগদ টাকাসহ আটক করে ছিল। যা বিভিন্ন দৈনিক ও জাতীয়-অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল ।
