জামাল জাহেদ, কক্সবাজার: জেলার সাংগঠনিক কাজে বিএনপি দল জেলার প্রথম সারির নেতা এপিএস সালা উদ্দিন,জেলা বিএনপির অন্যতম সভাপতি শাহাজাহান,ও সাবেক এমপি লুৎফর রহমানের কাজল মিলে তিন ভাগে বিভক্ত হলে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বেকায়দায় পড়ে হিমশিম খাচ্ছে।অন্যদিকে একই রাজনীতিক প্রভাবে মহেশখালির বিএনপি ও তিন টুকরা হয়ে পড়েছে।
মহেশখালির সাবেক এমপি আলমগীর মোহাম্মদ মাহাফুজ উল্লাহ ফরিদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর ছিদ্দিক এবং মাঠ পর্যায়ের কিছু নেতাকর্মীসহ উপজেলা বিএনপি নেতা এডঃ নুরুল আলম ভিন্ন ভাবে কোন্দল আর গ্রুপিং এর কারনে দলীয় কোন কর্মসুচি পালনে পাল্টাপাল্টি কোন কর্মসুচিই সফল হচ্ছেনা বলে মহেশখালি বিএনপি সমর্থিত জনগনের অভিযোগ।ফলে অনেকটা নিষ্ক্রিয় ভাবে লাইফ সাপোর্টে মহেশখালি বিএনপি।
বর্তমানে সরকারের কঠিন পদক্ষেপ আর উন্নয়নের নানা কর্মসুচিতে কোন ভাবেই মহেশখালি বিএনপি নেতারা এক হতে পারছেনা বলেও অনেকে মতভেদ দেয়, মহেশখালির পৌর বিএনপির সাঃসম্পাদক সাবেক কমিশনার নুরুল ইসলাম জানান,কেন্দ্রের অবস্থা যেখানে মেরুদন্ডহীন জিরো কর্মসুচি সেখানে আমরা কি করবো,মহেশখালি উপজেলায় কোন কমিটি পুর্নাঙ্গ করা হয়নি,মনগড়া নেতৃত্বহীন যে যার মতো কমিটি করে পেপার বিজ্ঞপ্তি দেয়,আসলে বলতে গেলে বর্তমান দেশের রাজনৈতিক অবস্থায়,কঠিন হয়ে পড়েছে বিএনপি রাজনীতিক কর্মসুচি।
স্থানীয় অনেক জনগন মনে করেন অভ্যন্তরের কোন্দলে মহেশখালি বিএনপির সাংঘটনিক কার্যক্রম বিকলাঙ্গ হয়ে ঝিমিয়ে পড়েছে।বড়মহেশখালীর বিএনপি সমর্থিত সরোয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,সরকার নিরীহ মানুষকে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী,নেতাদের জেল,নির্যাতনের কারনে তৃণমুল নেতাকর্মীরা কিছুটা হতাশা,কেহ আগ্রহ করে সামনে এগুচ্ছেনা। অন্যদিকে ৩২৩আসনে পৌরসভা নির্বাচন হলেও মহেশখালিতে এখনো বাকি আছে।সামনের পৌরসভা নির্বাচনে ও জেলা বিএনপির কোন্দল মহেশখালীতে প্রকাশ্যে রুপ নেবে।
ধারণা করা হচ্ছে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর ছিদ্দিক বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমদ সমর্থিত একক প্রার্থী হলেও জেলা বিএনপির অপর গ্রুফ কাজল ও আলমগীর ফরিদ সমর্থিত প্রার্থী হাবিব উল্লাহ গ্রাম ঐক্য পরিষদের ব্যানারে আলোচনায় আসবে,এমনকি বারবার তিন গ্রুপে উপজেলা বিএনপি অবস্থান নিলে মাঝখানে দলীয় বিএনপির কার্যক্রম বরাবরেই তিন টুকরা হয়ে মুমুর্ষ অবস্থায় পড়ে।
এবিষয়ে মহেশখালীর সাবেক এমপি আলমগীর মোঃ মাহাফুজ উল্লাহ ফরিদ জানিয়েছেন, কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমান উপজেলা কমিটি করা হচ্ছে ও কর্মসুচী নিয়মিত পালন করে যাচ্ছেন।দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ কোন কমিটি বা কর্মসুচি দিলে তারা বিএনপির কেউ নন বলে জানান তিনি।
