তথ্যপ্রযুক্তি: আইনস্টাইনের মহাকর্ষীয় তরঙ্গের খোঁজে একসঙ্গে কাজ করেছেন বিশ্বের প্রায় এক হাজার বিজ্ঞানী। এরমধ্যে যুক্ত ছিলেন ভারতীয় ৩৭ বিজ্ঞানী।
স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয় বলে যে তরঙ্গের বিষয়ে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন একশ বছর আগে ধারণা দিয়েছিলেন- সেই মহাকর্ষীয় তরঙ্গকে বাস্তবে শনাক্ত করার দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।
প্রায় একযুগ আগে ভারতের পুনের ইন্টার-ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রনোমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রফিজিকসে কর্মরত বিজ্ঞানী সঞ্জীব ধুরন্ধার ও সত্যপ্রকাশ এ মহাকর্ষীয় তরঙ্গ আবিষ্কারের পদ্ধতির বিষয়ে প্রস্তাব দেন।
এছাড়া এ তরঙ্গ আবিষ্কারের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় পুনে, ব্যাঙ্গালুরু ও মুম্বাইয়ের কয়েকটি গবেষণা সেন্টার ও গবেষণাগারে কর্মরত ৩৭ বিজ্ঞানী নানা ধরনের গবেষণা ও তথ্য দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তরঙ্গ শনাক্তের ঘোষণা দেওয়া হয় বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
গবেষকরা বলছেন, সূর্যের থেকে প্রায় ৩০ গুণ ভারী দুটি কৃষ্ণ গহ্বরের সংঘর্ষ থেকে উৎপন্ন এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ (গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ) শনাক্ত করা হয়েছে। পৃথিবী থেকে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে ওই দুটি ব্ল্যাক হোল একে অন্যের চারপাশে চক্রাকারে ঘুরতে ঘুরতে এক পর্যায়ে একসঙ্গে মিশে যায়।
ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ও লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েব অভজারভেটরির (এলআইজিও-লাইগো) গবেষকরা এই ঘোষণা দেন।
