চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাটে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের গুদাম থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার উদ্ধারের ঘটনায় চারাচালান ও শুল্ক আইনে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দিয়েছে পুলিশ। এতে ইলেকট্রনিক্স পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসি মেলার মালিক ও সিএন্ডএফ এজেন্টসহ নয়জনকে আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কেশব চক্রবর্ত্তী চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখায় অভিযোগপত্রটি জমা দেন।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী মুত্তাকি ইবনু মিনান বলেন, বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ (বি), ২৫ (মি) ও শুল্ক আইনের ১৫৪ (১) ও ১৫৪ (১৪) ধারায় অভিযোগপত্র জমা পড়েছে। এতে নয়জনকে আসামি ও ১৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। বুধবার মামলার ধার্য তারিখে সেটি আদালতে দাখিল করা হবে।
অভিযোগপত্রে যাদের আসামি করা হয়েছে- এসি মেলার দুই মালিক মো. জসীম উদ্দিন ও ভবতোষ বিশ্বাস রানা, ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার হওয়া গিয়াস উদ্দিন টিটু, জসীম উদ্দিনের ভাই এমরান, সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান আমিন ব্রাদার্সের মালিকদের একজন ফজলুল হক, ফরিদ, রুবেল মো. সোয়েব ও আবু তাহের।
২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল চট্টগ্রামের সদরঘাট থানার আনু মাঝির ঘাট এলাকায় এসি মেলা’র গুদামে অভিযান চালিয়ে অলঙ্কারসহ ২০ কেজি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সদরঘাট থানার এস আই আনোয়ার হোসেন বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাতজনকে আসামি করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে তদন্তে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের আড়ালে সোনা চোরাচালানের প্রমাণ পায় পুলিশ। এর সঙ্গে সিএন্ডএফ এজেন্ট জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা ওই প্রতিষ্ঠানের দুইজনসহ নয়জনকে অভিযোগপত্রে আসামি করেন।

Comments are closed.