ঢাকা : শিশু অপহরণ ও হত্যার দায়ে তিনজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধারায় প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. ফজলে এলাহী ভুইয়া জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সালদৈ গ্রামের আতাউর রহমান ওরফে আতা (৫৫), একই এলাকার আলম হোসেন (৪০) ও মো. ইউসুফ ওরফে ইউসুপ। অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় একই এলাকার জজ মিয়া ও তার স্ত্রী সমেজা খাতুন ওরফে বিলকিসকে খালাস দেয়া হয়েছে।
রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. মকবুল হোসেন। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সুষমা রাণী মন্ডল।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ওই গ্রামের মো. আব্দুল বাতেন বেপারীর ছেলে মো. গিয়াস উদ্দিনকে (১৫) ওই আসামিরা অপহরণ করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা আব্দুল বাতেন বেপারী বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
এদিকে দাবিকৃত মুক্তিপণ না পেয়ে আসামিরা গিয়াস উদ্দিনকে গুম করে রাখে। পরে পুলিশ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ইউসুফকে গ্রেফতার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক তিন মাস পর কাপাসিয়ার মাধুলি বিল থেকে শিশু গিয়াস উদ্দিনের বস্তাবন্দি কঙ্গাল উদ্ধার করে। পর মামলাটি হত্যা মামলায় রুপান্তর হয়।
তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চার্জসিট দাখিল করে। আদালতে চার্জসিট আমল নেয়। আদালত ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে।

Comments are closed.