গোলাম সরওয়ার : এক মন্ত্রী, দুই এমপিসহ জাতীয় পার্টীর কেন্দ্রিয় কমিটিতে স্থান পেয়েছে ৯ শীর্ষ নেতা। রাগ অভিমানে ভুলে পার্টীর চেয়ারম্যান এইচ, এম, এরশাদ “ঐক্যের” প্রতি জোর দিয়েছেন। কিন্তু নগর জাপায় পুরানো কোন্দল এখনও বিদ্যমান রয়েছে। ক্ষোভ, হতাশায় ভুগছেন তৃনমূলের নেতাকর্মীরা। এতে করে দলীয় কার্য্যক্রমও ধীরগতিতে চলছে। চট্টগ্রামে নগর জাপার আভ্যন্তরিন কোন্দল দীর্ঘদিনের।
জিয়াউদ্দিন বাবলু পার্টীর মহাসচিব হওয়ার পর থেকে কোন্দল মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। সোলায়মান আলম শেঠ ও নগর সভাপতি মাহাজাবীন এমপিকে ঘিরে দলের ২ ধারায় বিভক্ত। দুই গ্রুপের কার্য্যালয় ও কার্য্যক্রম আলাদা। নেতা কর্মীদের মধ্যে সাপে-নেউলে সর্ম্পক। পরস্পরের বিরুদ্ধে কাঁদা চুরাছুড়ি, সংঘাত ও সংর্ঘষের ঘটনাও ঘটছে। নগর জাতীয় পার্টীর কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে। নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন নেতাকর্মীগন। ভাটা পড়েছে দলীয় কার্য্যক্রমে।
