দিলীপ তালুকদার : চার হাজার ইয়াবা টেবলেট গলাধকরণ করে পেটে ভরে পাচারের চেষ্টা করছিল টেকনাফের রোহিঙ্গা ইমাম হোসেন(৩০)। চার হাজার ইয়াবা ১০০টি পলিথিনের প্যাকেটে করে খেয়ে পেটের ভিতর রেখেছিল ইমাম।এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়েও কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তার। ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুল্ক ও গোয়েন্দাদের চোখ এড়াতে পারেনি। তার গতিবিধি সন্দেহজনক হলে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে বলে, তার পেটে ইয়াবা রয়েছে। পরে চিকিৎসকের সাহায্যে তার মলদ্ধার দিয়ে বের করা হয় চার হাজার ইয়াবার ১০০টি প্যাকেট।
ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের শুল্ক তদন্ত ও গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান জানান, মানুষের পেটের ভিতর এতো বড় ইয়াবার চালান ধরা পড়ার ঘটনা এটাই প্রথম। তিনি বলেন,গোয়েন্দাদের হাতে আটক ইমাম হোসেন গত ১৪ আগষ্ট রোববার দুপুরে কক্সবাজার থেকে বিমান যোগে ঢাকা আসেন। তার গতিবিধি সন্দেহজনক হলে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে অকপটে স্বীকার করে বলে তার পেটে ইয়াবা রয়েছে। সে বিমান বন্দরেই বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক খেয়ে পেটে থাকা ইয়াবা বের করতে চেয়েছিল।গোয়েন্দা বিভাগ কোন ধরনের ঝুঁকি না নিয়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এক্স-রে প্রতিবেদনের মাধ্যমে তার পাকস্থলীতে ইয়াবার অস্থিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হয়।
এরপর মেডিসিন প্রয়োগ করে তার পেট থেকে পর্যায়ক্রমে ১০০টি পলিথিন মোড়ানো ইয়াবার প্যাকেট বের করা হয়।প্রায় ১২ ঘন্টা সময় লাগে। পরে ইমাম হোসেনকে চিকিৎসা দিয়ে পুনরায় ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।জানা গেছে,ইমাম হোসেন একজন রোহিঙ্গা শরনার্থী।
