জুবায়ের সিদ্দিকী : কদমতলীর অতি চেনা পুরনো যানজটের অবসান হয়েছে। কিন্তু ফ্লাইওভারের নিচের ফাঁকা জায়গাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে গাড়ী জট ও ফলের দোকানীদেও প্লাস্টিকের খাঁচার আড়ত। খালি রাস্তার ওপর ফলের বাস্কেট, ভ্যানগাড়ী, মিনিট্রাক, রিক্সা। এজন্য তোলা হচ্ছে চাঁদা, সর্বক্ষণ এখানেই ডিউটি করেন ট্রাফিক পুলিশ ও সার্জেন্ট। ফলের গাড়ী থেকে টাকা আদায় যেন নিত্যদিনের চিত্র। এছাড়া ভবঘুরে মানুষেরও ঠিকানা যেন ফ্লাইওভারের নিচে। প্রতিদিন গাড়ি রাখা ও ফলের গাড়ির মালামাল নামানোর জন্য দিতে হয় চাঁদা পুলিশকে।
সরেজমিন দেখতে গেলে ভ্যান গাড়ী চালক সুরুজ আলী বললেন, রাস্তা পুলিশের ভাড়াতো তারাই লইব আপনার সন্দেহ কেন। এরা ফলও বিনা পয়সায় লইয়া যায়। এটা তারার লাইগা জায়েজ। গাড়ী আমরা রাখি খালি জায়গা পাইছি। আপনাকেও কোন চাঁদার লাগি আইছেননি। এটা সরকারি জায়গা-পুলিশ মাল লইলে আপনার কি ?
