ওয়ানডে ইতিহাসে রানের চূড়ায় ইংল্যান্ড

0

খেলাধুলা : ওয়ানডে ইতিহাসে রানের চূড়ায় গেল ইংল্যান্ড দল। সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ট্রেন্ট ব্রিজে পাকিস্তানি বোলিং আক্রমণকে গুঁড়িয়ে ৫০ ওভারে ৩ উইকেটে ৪৪৪ করেছে ইংল্যান্ড। ওয়ানডে ক্রিকেটই এটিই দলীয় সর্বাধিক রান। পেছনে রয়েছে শ্রীলঙ্কার ৪৪৩। ২০০৬ সালে নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে আমস্টেলভিনে ৯ উইকেটে ৪৪৩ রান করেছিল শ্রীলঙ্কা।

রেকর্ড গড়তে শেষ ওভারে ৬ রান প্রয়োজন ছিল ইংল্যান্ডের। পাকিস্তানের নবীন পেসার হাসান আলির প্রথম পাঁচ বল থেকে আসে মাত্র একটি সিঙ্গেল, একটি বাই। শেষ বলে বাটলারের বাউন্ডারিতে ইংল্যান্ড উঠে যায় নতুন উচ্চতায়। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই প্রথম চারশ রান হলো ওয়ানডেতে। আগের সর্বোচ্চ ছিল ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ৩৯২। সেখানেই না থেমে ছাড়িয়ে যান ইংল্যান্ডের হয়ে আগের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রবিন স্মিথের ১৬৭ রানকে। ১২২ বলে ১৭১ করে আউট হন হেলস। ৪টি ছক্কার পাশে মেরেছেন ২২টি বাউন্ডারি। যেটিও ইংল্যান্ডের রেকর্ড। আগের রেকর্ড ছিল স্ট্রাউসের ১৯ বাউন্ডারি।ওপেনার জেসন রয় ১৫ রানে আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেটে জো রুটের সঙ্গে হেলসের জুটি ২৪৮ রানের। ৮৬ বলে ৮৫ করে আউট হন রুট।

এই দুজন বিদায় নিলেও থামেনি ঝড়। জস বাটলার ও ওয়েন মর্গ্যান বরং ব্যাট হাতে তোলেন টর্নেডো। উইকেটে যাওয়ার পরপরই বাটলার জোড়া ছক্কা মারেন বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ নওয়াজকে। একটু পর শোয়েব মালিকের এক ওভারে চারটি ছক্কায় বাটলার স্পর্শ করেন অর্ধশতক। মাত্র ২২ বলে, ইংল্যান্ডের হয়ে ওয়ানডেতে যা দ্রুততম। চতুর্থ উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে রান এসেছে মাত্র ৭২ বলে ১৬১! শেষ ১০ ওভারে ইংল্যান্ড তুলেছে ১৩৫ রান। পাকিস্তানের বোলারদের বোলিং বিশ্লেষণের চেহারা করুণ। রান দেয়ার ‘সেঞ্চুরি’ করেছে তাদের এক বোলারও। ! ১০ ওভারে ১১০ রান গুণেছেন ওয়াহাব রিয়াজ। ১০ ওভারে ৭৪ রান দিয়েছেন হাসান আলি, ৭২ মোহাম্মদ আমির। ৬ ওভারে ৬৮ ইয়াসির শাহ, ৩ ওভারে ৪৪ মালিক। আর ১ ওভারে ২০ অধিনায়ক আজহার আলি।

এই ম্যাচ জিতলেই ৫ ম্যাচের সিরিজ জিতে যাবে ইংল্যান্ড।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.