আজও খোঁজ মেলেনি বঙ্গোপসাগরে ১১ মাঝিমাল্লার

0

বশির আল মামুন, চকরিয়া : বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজারের কুতুবদিয়া-মহেশখালী-চকরিয়া চ্যানেলে গত ৬নভেম্বর ঘুর্ণিঝড় নাডার আঘাতে ডুবে গেছে ২৯জন মাঝিমাল্লাসহ এফবি রুহান নামে একটি বিহিঙ্গী জালের ফিশিং বোট। ৩দিন ধরে সাগরে ভাসমান থাকার পর সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশনায় চট্টগ্রামে নৌবাহিনী অভিযানে গত ৮নভেম্বর সকালে ১২জনকে জীবিত উদ্ধার করে চট্টগ্রাম নৌবাহিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন। একইভাবে মহেশখালী উপজেলার জন্নাতুল মাওয়া নামে একটি ফিশিং বোট নিয়ে স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় ভাসমান থেকে আরো ৬জনকে জীবিত উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া মাঝিমাল্লারা সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন মালিক পক্ষ ও তাদের স্বজনরা।

এদিকে, ডুবে যাওয়া ফিশিং বোট ও অবশিষ্ট ১১জন মাঝিমাল্লাকে উদ্ধারে চট্টগ্রাম নৌবাহিনী এবং চট্টগ্রামস্থ কক্সবাজার বোট মালিক সমিতির তত্ত্বাবধানে ১০টি ফিশিং বোট অদ্যাবধি অব্যাহত রেখেছে।
কক্সবাজার ফিশিং বোট মালিক সমিতির সহ সভাপতি মাস্টার আবু শামা, কোষাধ্যক্ষ আহমদ করিম, সদস্য কামাল মাঝি ও সদস্য মো: সেলিম গত শনিবার সাংবাদিকদের জানান, চলতি সনে সরকারের নির্দেশনায় ২২দিন ধরে সাগর থেকে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকার পর গত ৩নভেম্বর চট্টগ্রাম ফিশারীঘাট হয়ে ২৯জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যায় মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের আবদুল করিমের মালিকানাধীন এফবি রোহান নামে ৭৪ ঘোড়া’র একটি ফিশিং বোটটি। গত ৬নভেম্বর ঘুর্ণিঝড় নাডা’র সৃষ্টি হলে বাতাসের তীব্রতায় ওই ফিশিংবোট বঙ্গোপসাগরে মাঝি-মাল্লা নিয়ে ডুবে যায়। ১০টি ফিশিং বোট নিয়ে গত ৬দিনেও ফিশিং বোট এফবি রুহান ও ১১জন মাঝিমাল্লার কোন খোঁজ না পাওয়ায় মাঝিমাল্লাদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
কক্সবাজার ফিশিং বোট মালিক সমিতির কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মৎস্য মন্ত্রণালয়, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক, জেলা মৎস্য বিভাগ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.