সিটিনিউজবিডি : ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা যাতে ভোগান্তিতে না পড়েন সে জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এরমধ্যে থাকছে- ঈদের তিন দিন আগে থেকে তিন দিন পর্যন্ত যাত্রী চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে ১০ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশের সিএনজি স্টেশনগুলো ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকবে।
মঙ্গলবার বিকেলে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঈদের সময়ে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ৬ দিন কাভার্ড ভ্যান ও লড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ওষুধ, পচনশীল ও উৎপাদনমুখি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত যানগুলো যথারীতি চলবে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
এছাড়া বৈঠকে সারাদেশের নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করতে বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বিআরটিএ, বিআরটিসি এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে সমন্বয়ে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া ঢাকা মহানগরীর সায়েদাবাদ, মহাখালী, গাবতলী পৃথক বাস টার্মিনালেও যানজট নিরসনে কাজ করবে একটি কমিটি।
বৈঠকে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এবারের ঈদে যাত্রীদের কোনো ভোগান্তি হবে না। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে খুলে দেয়া হবে। ১৯২ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। ১৪টি বাইপাস সড়কের মধ্যে ১২টি বাইপাস সড়কের কাজ শেষ হয়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘শেরপুর-জামালপুরের রাস্তার অবস্থা খুব ভালো। এবারে কোনো ভোগান্তি হবে না। জাতীয় মহাসড়কে লক্কড়-ঝক্কড় বাস চলতে দেয়া হবে না।’ বৈঠকে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙা, পুলিশের আইজি, র্যাবের মহাপরিচালক, ডিএমপি কমিশনারসহ বিভিন্ন জেলা প্রশাসক উপস্থিত ছিলেন।
