লাইফস্টাইল : হেঁচকি ওঠে যদি আমাদের ডায়াফ্রামের স্বাভাতিক কার্য্যে কোনও বাধা সৃষ্টি হয়। এই বাধার কারণ অনেক যেমন তাড়াতাড়ি খাওয়া, বেশি খাওয়া, অথবা খুব গরম বা খুব ঠাণ্ডা খাবার খাওয়া।
হেঁচকি উপষমের অনেক উপায় আছে ও সারানোর পদ্ধতিও অনেক। এই সব পদ্ধতির কার্য্যকারিতা ভিন্ন ও সেটা নির্ভর করে ডায়াফ্রামের ওপর প্রভাবের ওপর। নিচে দেয়া পদ্ধতিগুলো আসলে কিছু উপায় যাতে সবসময়ের হেঁচকি বন্ধ করা যায়।
শ্বাস ধরে রাখুন : নিজের শ্বাস বন্ধ করে রাখা হেঁচকি থামানোর জন্য একটা খুব প্রচলিত উপায়। নাকটা চেপে ধরুন ও মুখটা হাত দিয়ে চাপা দিয়ে রাখুন কম করে ৩০ সেকেন্ডের জন্য। দেখবেন হেঁচকি কমে গেছে।
মধু : এটা হেঁচকি থামানোর একটা দারুণ উপায়। মধুর সঙ্গে একটু গরম পানি ভেগারস স্নায়ুতে একটা হালকা আলোড়ন সৃষ্টি করে। এর জন্য হেঁচকি সঙ্গে সঙ্গে হাওয়া! ২ চা চামচ মধু উষ্ণ গরম পানিতে দিন ও তারপর সেটা জিভের তলায় দিন, চট করে আরাম পাবেন।
পানি দিয়ে গার্গল করলে : পানি দিয়ে গার্গল করলেও ভেগাস্ স্নায়ুটি শান্ত হয়। সত্যি বলতে পানির ব্যবহার করে চিকিৎসা সেরা পদ্ধতি হেঁচকির হাত থেকে রেহাই পাওয়ার।
মিষ্টি তেঁতুল : স্নায়ুর ডগায় একটা মিষ্টি অনুভূতি আনতে পারলে হেঁচকি কমে। আপনি যে কোনও মিষ্টি খাবার খেতে পারেন এটার জন্য। চিনি খুব ভাল এই সমস্যা সামলাতে পারে। মিষ্টিটা জিভের নীচে রাথুন যাতে তাড়াতাড়ি মিশে আপনাকে আরাম দেয়।
কান বন্ধ করে : ডাক্তাররা বলেন যে এটা ঠিক একটা কান বন্ধ করা একটা দারুণ উপায় হেঁচকি থেকে মুক্তি পাওয়ার। এটা করলে ভেগাস্ স্নায়ুটি চঞ্চল হয় যার সোজা প্রভাব পড়ে কানে শোনার ওপর। এর ফলে হেঁচকির তীব্রতা কমে যায় অনেকটা।
কিছু টক : কোনও কিছু টক, যেমন ভিনিগারও দারুণ কাজ করে এইসব ক্ষেত্রে। এর একটা প্রভাব থাকে ফ্রেনিক স্নায়ুর ওপর, যেটা হেঁচকির চক্রটা ভাঙতে সাহায্য করে। এই টকের জন্য ইসোফিগাসে একটা বাধা পড়ে যেটাই আসল কাজটা করে।
