নিজস্ব সংবাদদাতা,চন্দনাইশ::চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়া পূর্ব হাছনদন্ডী মিঠার বাড়ীতে সীমানা বিরোধের জের ধরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হৃদযন্ত্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে মো. আজম (৫৫) নামের এক ব্যাক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পূর্ব হাছনদন্ডী মিঠার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে এস আলম পরিবহনের চালক মো. আজম (৪৫) এর সাথে সিরাজুল ইসলামের ছেলেদের মধ্যে চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে পথে কাটা দেয়া নিয়ে সিরাজুল ইসলামের ছেলেদের সাথে আজম খানের কথা কাটাকাটি হয়।
এ সময় পক্ষদ্বয়ের মধ্যে ইট-পাটকেল ছুঁড়াছুঁড়ি হয়। মো. আজম সিরাজুল ইসলামের ছুঁড়ে মারা ইট মাটি থেকে তুলতে গিয়ে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় বিজিসি ট্রাস্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে এ এস পি সার্কেল, পটিয়া মফিজ উদ্দিন ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দীপংকর রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোন অভিযোগ না দেয়ায় অতিরিক্ত জেলা হাকিম, চট্টগ্রাম থেকে ময়না তদন্তবিহীন লাশ দাফনের অনুমতি সাপেক্ষে পুলিশ লাশ ফেরত দেয়। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এ ব্যাপারে ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দীপংকর রায় বলেছেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং মৃত ব্যক্তির লাশ থানায় নিয়ে আসে। উভয়ের মধ্যে এ ব্যাপারে কেউ কাউকে দোষারোপ না করায় এবং থানায় অভিযোগ দেয়নি। তাছাড়া অতিরিক্ত জেলা হাকিমের আদালত থেকে ময়না তদন্তবিহীন দাফন করার অনুমতি নিয়ে আসায় নিহতের পরিবারের নিকট লাশ হস্তান্তর করা হয়।
