চকরিয়া প্রতিনিধি::চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের আল ফরমুচ লেছুমা করিম বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক রেজাউল করিম রেজুর বিরুদ্ধে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় মাদ্রাসার ছাত্রীদের বাথরুমে এই ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির বরাবরে অভিযোগ দিয়েছে। বর্তমানে এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগে জানাযায় ২৭ ফেব্রুয়ারি মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল আবছার হেলালীর চেহলাম উপলক্ষ্যে ওই মাদ্রাসা অর্ধদিবসে ছুটি ঘোষণা করা হয়। ছুটির পর অধিকাংশ ছাত্রী মাদ্রাসা ত্যাগ করেন। এ সময় ভুক্তভোগীসহ তিন ছাত্রী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাথরুমে যায়। ওই সময় শিক্ষক রেজাউল করিম রেজু ছাত্রীদের বাথরুমের দিকে যায়। তিনি সেখানে গিয়ে অপর দু’ছাত্রীকে বকা দিয়ে তাড়িয়ে দেন। ওই দু’ছাত্রী চলে গেলে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে টয়লেট পরিস্কারের নির্দেশ দেয় শিক্ষক রেজু। পরে ওই ছাত্রী টয়লেট পরিস্কার করে চলে আসতে চাইলে তাকে জোর করে বাথরুমে ঢুকিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এতে ব্যর্থ হয়ে শিক্ষক রেজু ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করে। ছাত্রী বিষয়টি তাৎক্ষণিক তার পরিবারকে জানায়। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির কাছে অভিযোগ করা হয়েছে।
জানা গেছে, ১ মার্চ ছাত্রী ও তার মা মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে মাদ্রাসার সুপার ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির কাছে ঘটনার মৌখিক বর্ণনা দেন। পরিচালনার কমিটির কাছে অভিযোগ দেয়ার পর ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে এলাকার লোকজন ও অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রতিবাদে ১মার্চ বিক্ষুব্ধ ছাত্রীরা ক্লাস বর্জন করে। তারা অতিদ্রত অভিযুক্ত শিক্ষক রেজুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক রেজাউল করিম রেজু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ছাত্রীরা বিশৃংখলভাবে দৌড়াদৌড়ি করছিল। তাই তাদের শাসন করেছি মাত্র। এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাহাদুর হক সাহেবও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘ছাত্রীর মা আমাকে অভিযোগ করেছে।
