প্রেমিকার স্বামী কর্তৃক এসিড নিক্ষেপ, ধরাছোয়ার বাইরে আসামিরা

0

আনোয়ারা প্রতিনিধি::গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রেমিকার স্বামীর ছুঁড়ে মারা এসিডে ঝলসে গেছে তমাল চন্দ্র দে (২৫) নামে এক যুবকের মুখমন্ডল। বর্তমানে এসিডদগ্ধ ওই যুবক নগরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা বাদি হয়ে দুজনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা করেছেন। তবে ঘটনার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও রহস্যজনক কারণে আসামীরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। এ নিয়ে তার পরিবারে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
মামলার এজহার সূত্র জানায়, এসিডদগ্ধ তমাল সিইউএফএলের মাস্টার অপারেটর (এমও) বাবুল চন্দ্র দের একমাত্র সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকের মাধ্যমে এ্যানি নামের এক মেয়ের সাথে প্রেমের সর্ম্পক হয় তার। এরইমধ্যে অন্যত্র বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখে এ্যানি। মাস দুয়েক আগে বিষয়টি জানার পর তাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে তমাল। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে এ্যানিকে চড় মারলে তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। তখন থেকে এ্যানি তার মোবাইলে বারবার ফোন দিয়ে বিরক্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। এরই জের ধরে গত ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নগরীর রহমতগঞ্জ এলাকায় ডেকে নিয়ে এ্যানির স্বামী ও তার সহযোগিরা এসিড ছুঁড়ে মারে। এতে তমালের মুখ ঝলসে গিয়ে চোখ দুটি নষ্ট হয়ে যায়। ঘটনার পরপরই তাকে চমেক হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে দ্রুত ঢাকা চক্ষু বিজ্ঞান ইনষ্টিটিউটে রেফার করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। বর্তমানে নগরীর পাঁচলাইশস্থ ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা বাবুল চন্দ্র দে বাদি হয়ে কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন।

এ মামলায় তমালের প্রেমিকা মমিতা দত্ত এ্যানি ও তার স্বামী সুমিত দাশকে আসামী করা হয়। তবে রহস্যজনক কারণে আসামীদের পুলিশ গ্রেফতার করছেনা বলে দাবি করেন ভিকটিমের বাবা। যার ফলে পুলিশের প্রতি আস্থা হারিয়ে সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্তাব্যক্তিদের দ্বারে দ¦ারে ঘুরছেন। এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রিয়তোষ কান্তি দাশের মুঠোফোনে বারবার ফোন করেও কোনরকম সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.