জুবায়ের সিদ্দিকীঃ সারাদেশে উন্নয়নের চাকা ঘুরলেও দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে পারছেনা সরকার। বর্তমান ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে প্রশ্যংসীত হলেও দুর্নীতির ঢেউ তৃনমূল পর্যন্ত আছড়ে পড়ছে। কমিশন, ঘুষ ও তদবিরের যেন স্বর্ণযুগ চলছে চাটুকারদের তেলবাজীতে স্বর্থ হাসিল, মধ্যস্বত্বভোগী, দালাল, তদবির বাজীতে কমিশন খেয়ে বিত্তবৈভবের মালিক হচ্ছে দলের শীর্ষ নেতা থেকে পাতি নেতা।
আমলা পাড়া থেকে রাজনৈতিক পাড়া, মন্ত্রিপাড়া থেকে এমপি পাড়া। পেশাদার টাউটদের সঙ্গে রাজনৈতিক পুরুষদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মহিলাকর্মীরাও আখের গুছিয়ে নিচ্ছেন। আমলা, প্রকৌশলী থেকে ক্ষমতাবান রাজনৈতিক নেতাদের অন্দরে তাদের যাতায়াত। ফাইল পাস, ফাইল ছুটানো থেকে শুরু করে এমন কোন তদবির নেই যেখানে তারা সফল হচ্ছেন না। অতি সাধারন বেশভূষায় যারা গনপরিবহনে চলাফেরা করতেন তাদের এখন হাঁসের সোনার ডিম পাড়ার মতো জীবন। রাজনৈতিক ক্ষমতায় ছায়ায় সিন্ডিকেট ঘরে ঘরে।
নিয়োগ বানিজ্য, বদলী বানিজ্য , টেন্ডারবাজী থেকে সর্বত্র হাত ডুবিযে টাকার খনি পাচ্ছে না। চেহারা বদলে যাচ্ছে, বেশভূষা বদলেছে, গায়ে ব্রান্ডের পোশাক, গয়নায় গাঁ পরিপূর্ণ, দামী গাড়ি হাঁকিয়ে পথ চলছেন। উন্নয়নের পাশাপাশি চলছে হরিলুট। অথচ প্রধানমন্ত্রি অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলছেন। তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ইবাদত বন্দেগী শেষে চায়ের কাপের সঙ্গে দৈনিক পত্রিকাগুলোর খবর পাঠ করে প্রদানমন্ত্রি শেখ হাসিনা দিন শুরু করেন। তিনি ফাইলওর্য়াক করেন, সই করেন এবং কোন মিটিংএ যাওয়ার আগে হোমওর্য়াক করে যান।
কোন কোন মন্ত্রি বা এমপি ফাউ কথা বলে পরিস্তিতি উত্তপ্ত করেন। তিনি সমাল দেন। গভীররাত পর্যন্ত কাজ করেন তিনি। নেতাকর্মীদেরও নিয়মিত সাক্ষাত দেন।
কিন্তু এত কিছুর পরও কেন যেন দুর্নীতি পিছু ছাড়ছেনা এই সরকারের। দুর্নীতি যেন ক্যান্সারের মতো বাসা বেধেছে সরকারের আষ্টে পৃষ্টে।
