জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাস-মাদক মোকাবেলায় বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন
সিটিনিউজবিডি ডেস্ক : সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচীর সমাপণী দিনে প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও চট্টগ্রাম পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদ রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেছেন, জঙ্গীবাদ সন্ত্রাস আর মাদককে মোকাবেলা এখন সময়ের দাবী । এই তিনটিই এখন প্রগতিবিরোধী শক্তির নিয়ামক ।
বাংলাদেশ বিরোধী আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক অপশক্তি এসব নিয়েই খেলছে । ওরা দেশের এগিয়ে যাওয়াকে ঠেকাতে চাই । এই অপশক্তি মোকাবেলায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বৃহত্তর নাগরিক-প্রশাসনিক ঐক্য প্রয়োজন ।
সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলার উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচীর সমাপণী দিনে প্রধান অতিথি ছিলেন রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ।
শুক্রবার(৩১মার্চ) বিকেলে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, পৃথিবীর কোন দেশে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তির রাজনীতি করার কোন সুযোগ নেই। আজ সময় এসেছে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের, যাতে করে বাংলাদেশে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি বলে কিছু না থাকে। বর্তমানে সবচেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
সংগঠনের উত্তর জেলার সভাপতি ড. মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদ নুরে আলম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় দোস্ত বিল্ডিং এ অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও চট্টগ্রাম পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদ রিয়াজ হায়দার চৌধুরী। প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের মহানগর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম মন্টু।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের বিভাগীয় সমন্বয়ক বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সহসভাপতি সাদাত আনোয়ার সাদী, জেলা পরিষদ সদস্য এড. উম্মে হাবিবা।
বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ ইদ্রিস, এডভোকেট বি.কে বিশ্বাস, মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা সাধনচন্দ্র বিশ্বাস, আবু বক্কর সিদ্দিকী, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেম, গৌরিশংকর চৌধুরী, লেয়াকত হোসেন, মনোয়ার জাহান মনি, সোহেল ইকবাল, পংকজ রায়, ইঞ্জি. পলাশ বড়ুয়া, কামাল হোসেন রিজভী, স.ম জিয়া, কামাল উদ্দিন, আব্দুল মালেক খান, সুপ্রিয় দাশ অপু, এডভোকেট সাইফুন্নাহার খুশি, কামরুল আজম চৌধুরী, ইফতেখার উদ্দিন রাসেল, দীপন দাশ, মোঃ হাসান, হারুনুর রশিদ, এস.এইচ মানিক, এমরান হোসেন মুন্না, সেলিম চৌধুরী, রঘুনাথ মজুমদার, শফিকুল ইসলাম, এড. সাজ্জাদ হোসেন, এড. রোকসানা আলম, নাসির উদ্দিন প্রমুখ।
বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কোন সেনাপতির নির্দেশে হয়নি। কারণ জনযুদ্ধ কোনদিন সেনাপতির নেতৃত্বে হতে পারেনা। দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের পথ ধরে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বঞ্চনা ও শোষনের শিকার বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একটি জনযুদ্ধের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করে।
বক্তারা বলেন,জাতির দূর্ভাগ্য ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর স্বাধীনতার চেতনা-মূল্যবোধকে হত্যা করা হয়। শুই তাই নয়; স্বাধীনতার ৪৬ বছরের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশেরও বেশী সময় ধরে মুক্তিযুদ্ধের চেতন বিধংশী স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি দেশ শাসন করেছে। যুদ্ধাপরাধীরসহ স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়ীতে-বাড়ীতে শহীদের রক্তেভেজা জাতীয় পতাকা উড়েছে।
