নিজস্ব প্রতিবেদক::মাদক চোরাচালান ও শিশু-নারী পাচার রোধসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে ৬ নম্বর ক্লাস্টারের যৌথ সীমান্ত সম্মেলন।
বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল ) দুপুর ১ টায় সার্কিট হাউস মিলানায়তনে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন হয়।
সম্মেলন শেষে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্বদানকারী জেলা প্রশাসক শামসুল আরেফিন বলেন, আমরা অত্যন্ত সুন্দরভাবে বিভিন্ন দ্বি-পাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। অনেক বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। যে সকল বিষয়গুলো নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়া প্রয়োজন সেগুলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।যাতে সে বিষয়গুলো আমরা সহজভাবে সমাধান করতে পারি। এ সভার মাধ্যমে দু’দেশের সম্পর্কের আরো উন্নয়ন হবে। এতে করে আমাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের উন্নয়ন হবে।এর মাধ্যমে আমরা পর্যটন শিল্পকে উন্নত করতে পারব। উভয় দেশের পর্যটক যাতে আসা-যাওয়া করতে পারে সে ব্যাপারে আলোচনা করেছি।
জেলা প্রশাসক আরো বলেন, আশাকরি আমরা পর্যটন শিল্পকে ভবিষ্যতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব। উভয় দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যেমন পহেলা বৈশাখ,আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যৌথভাবে পালন করব।এর মাধ্যমে দু’দেশের বাসিন্দাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরো সৌহার্দ্যপূর্ণ হবে।
সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী ও খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক, বিজিবি-পুলিশের কর্মকর্তারা সহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা এবং ভারতের প্রতিনিধি দলে ছিলেন গোমতি ও দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিএসএফ এর কর্মকর্তারা।
