কামরুল ইসলাম দুলু, সীতাকুণ্ড : সীতাকুণ্ডের পাহাড়ের টিলায় ও ঢালুতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন। বিভিন্ন সময়ে লোকজন পাহাড় কেটে
বসতি স্থাপন করলেও এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের মাথাব্যথা নেই। তবে বন বিভাগের দাবি নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে তাঁদের কর্মীরা সর্তক করে দিলেও বসবাসকারীরা তা মানছেন না।
ফলে যেকোনো মুহূর্তে পাহাড় ধসে প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
তারই অংশ হিসেবে পাহাড় পাদদশে ঝুকিপূর্ণভাবে বসবাসরত লোকজনদের সরে যেতে দিনব্যাপী মাইকিং করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১ লা জুন) সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত সীতাকুণ্ড উপজেলা ভূমি অফিসের উদ্যেগে এ মাইকিং করা হয়। সীতাকুণ্ড উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন,পাহাড় ধসে যাতে প্রাণহানি না ঘটে সেজন্য প্রশাসন নানা উদ্যেগ নিয়েছে।
তাই ঝুকিপূর্নভাবে যারা বসবাস করছে তারা যাতে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে পারে তার জন্য উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ১৯৭৫ সাল থেকে পাহাড়ের অবৈধ দখল শুরু হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে রক্ষা পেতে নিরাপদ স্থান হিসেবে উপকুলীয় এলাকার লোকজনও এ পাহাড়ে বসতি স্থাপন করেছেন।
বর্তমানে সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন পাহাড়ে ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ ঝুকিপূর্নভাবে পাহাড়ে বসবাস করছে।
