উদ্বোধনের আগেই ধ্বসে পড়েছে ব্রীজ

0

নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দনাইশ:: চন্দনাইশ উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ধোপাছড়ি চামাছড়ি খালের উপর ত্রাণ বিভাগের ৫৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল ৬০ ফুট কালভার্ট ব্রীজ। ২শ ফুটের অধিক খালের উপর অপরিকল্পিতভাবে এ ব্রীজটি নির্মাণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলা প্রকৌশলী দিদারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, নির্মাণের পূর্বেই এ ব্রীজটির সয়েলটেস্ট, ফাইলিং, ফিজিভিলিটি পরীক্ষা না করে এ ব্রীজটি নির্মাণ করায় পাহাড়ি ঢলে ব্রীজটি উদ্বোধনের আগেই ধ্বসে যায়।

তিনি আরও বলেন, ধোপাছড়ি চামাছড়ি খালের উপর ব্রীজটি নির্মাণের জন্য তার দপ্তর থেকে ইতিমধ্যে প্রকল্প পাঠানো হয়েছে, সয়েল টেস্ট করা হয়েছে। সে সাথে ১শ ফুট ব্রীজ নির্মাণের জন্য একটি প্রজ্ঞাপনও পাঠানো হয়েছে।

তাছাড়া এ সড়কটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত। কি এক অজানা কারণে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ ব্রীজটি করা হয়েছে বলে তিনি জানেন না। পাহাড়ি ঢলে ব্রীজটি ধ্বসে যাওয়ার পর দৈনিক পূর্বকোণে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ফলে টনক নড়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ফলে গত ১ জুলাই জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এ ব্রীজটি সরজমিনে পরিদর্শন করেন।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান ব্রীজটি ধ্বসের ব্যাপারে ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোবারক হোসেনকে প্রধান করে, উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবদুল আলিম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, উপজেলা জনস্বাস্থ্য বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলীকে সদস্যকে ৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটিকে আগামী দশ কার্য দিবসের মধ্যে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য বলা হয়। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী দিদারুল ইসলাম বলেন, তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে একজন নন টেকনিশিয়ান কর্মকর্তাকে। ফলে বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত সাপেক্ষে ত্রুটি-বিচ্যুতি তুলে এনে প্রতিবেদন উপস্থাপন কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবে বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.