যীশু সেন:: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, শিশুর মানসিক বিকাশে সাংস্কৃতিক চর্চা অপরিহার্য। একটি শিশুকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে যুক্ত রাখতে হবে। এতে করে শিশুরা নৈতিক অবক্ষয় থেকে মুক্ত থেকে সুন্দর ভবিষ্যত রচনা করতে পারবে। অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতিক চর্চা সমাজ পরিবেশ সুসংগঠিত করে দেশের কল্যাণে শান্তি ও উন্নতি করা যায়। একটি বহুমাত্রিক শিক্ষামূলক সাংস্কৃতিক চর্চার বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান বাগীশ্বরী সঙ্গীতালয়। এই সঙ্গীতালয় সমাজ ও দেশের কল্যাণে সংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছে।
শনিবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর ডিসি হিলস্থ ফুলকি স্কুলের এ.কে খান মিলনায়তনে বাগীশ্বরী সঙ্গীতালয়ের উদ্যোগে মনোজ্ঞ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতানুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বাগীশ্বরী সঙ্গীতালয়ের সভাপতি কৈলাশ বিহারী সেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরিন আখতার। প্রধান আলোচক ছিলেন আর্য্য সঙ্গীত সমিতির উপাধ্যক্ষ উস্তাদ নির্মলেন্দু চৌধুরী।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাগীশ্বরী সঙ্গীতালয়ের পরিচালক রিষু তালুকদার। সঙ্গীতালয়ের সহ-সম্পাদক প্রকৌশলী সুমন সেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সি. টি. জি পোষ্ট পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক স.ম. জিয়াউর রহমান, সঙ্গীতালয়ের সাংগঠনিক সম্পাদক যীশু সেন, অর্থ সম্পাদক সমীরণ সেন, বাগীশিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা দিলীপ ভট্টাচার্য্য, চন্দনময় নন্দী টিটু, রঞ্জন কান্তি দত্ত, প্রীতম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ অঞ্জন কুমার দাশ, প্রাক্তন শিক্ষক রটন্তী চক্রবর্তী, শিক্ষক শেখর ঘোষ আপন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতানুষ্ঠানে অংশ নেন আশীষ চৌধুরী (তবলা লহড়া), রিষু তালুকদার (কণ্ঠ), জয়দীপ চৌধুরী আকাশ (কণ্ঠ), আশীষ কুমার দে (তবলা), জুয়েল চৌধুরী (তবলা), ছোটন চক্রবর্তী (তবলা)।
