জামাত বিএনপি বন্দরসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নাশকতার চেষ্টা করছে- নওফেল

0

সিটিনিউজ ডেস্ক ::  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, আমাদের স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে পরবর্তী প্রজন্মকে দোদুল্যমান বিতর্কে রাখার জন্যই ষোড়শ সংশোধনী রায়ে কিছু অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তিমূলক অতি রঞ্জিত শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে জামায়াত–বিএনপি’র নেতাদের সন্তানরা এই রায় থেকে যুক্তি বের করতে পারেন এবং ভবিষ্যতেও বিভ্রান্তি ছড়াতে পারেন।

সোমবার(২৮ আগস্ট)  চট্টগ্রাম পোর্ট এজেন্টস স্টিভিডোরস্‌ এন্ড কন্ট্রাক্টরস এমপ্লয়ীজ ইউনিয়ন (রেজি নং–১০১৩) এর উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে তিনি এসব কথাগুলো বলেন ।

ব্যারিস্টার নওফেল বলেন, এদেশে ৭৫ এর পরবর্তী অবৈধ, স্বৈরাচার সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারপতিরা ৭২ এর সংবিধানকে কলুষিত করে সামরিক সরকারগুলোর অবৈধ কর্মকান্ড বৈধ করেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করা যাবে না এমন আইনও তারাই বৈধ করেছেন।

জামাত বিএনপি চক্র অত্যন্ত সুকৌশলে চট্টগ্রাম বন্দরসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নাশকতার চেষ্টা করছে। তারা দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র আজ অব্দি চালিয়ে যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে সবচেয়ে বেশি অধিকার রাখেন শ্রমিক কর্মচারীবৃন্দ। চট্টগ্রাম বন্দরকে সচল ও কার্যকর করার দায়িত্ব আমাদের সকলের।

সংগঠনের নেতা এস এম মহিউদ্দিন এর সভাপতিত্বে এবং যুবনেতা মো. হোসেনের পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে নিয়ে কথা বলার লোক কম। চট্টগ্রামকে দিয়ে টাকা কামানোর লোক অনেক বেশি। এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রামের সংকট, ন্যায্য অধিকার নিয়ে কথা বলেন। উনার সেই সাহস আছে।

বন্দরের অনিয়ম নিয়ে কথা বলা তার মানে এই নয় কোন নেতার বিরুদ্ধে কথা বলা। তার মানে এই নয় সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলা। সত্যি কথা কারো কারো সহ্য হয় না।

সবাই ম্যানেজ করে চলেন। প্রত্যেকের কোন না কোন প্রভাবশালী পক্ষ আছে। তখন সবাই মিলে সত্যকে মিথ্যা বানিয়ে ফেলেন। বন্দরের এক নম্বর জেটি পরিত্যাক্ত।

অভয়মিত্র ঘাটের জেটি ব্যবহৃত হচ্ছে না, ক্যাপিট্যাল ড্রেজিং না হওয়ায় কর্ণফুলীতেও পলি জমে যাচ্ছে। এদেশের অর্থনীতির স্বর্ণদ্বার চট্টগ্রাম বন্দর যতো কার্যকর হবে দেশের অর্থনীতি ততই সমৃদ্ধশালী হবে।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হাজী জহুর আহমদ, আবদুল আহাদ, নগর আওয়ামী লীগ সদস্য নুরুল আলম, জাতীয় শ্রমিক লীগ মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী এটলী, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হাজী মো. ইলিয়াছ, ৩৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. ইসকান্দর মিয়া, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য ওয়াহিদ হাসান, শেখ নাছির আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন দেলু, ইসতিয়াক আহমদ চৌধুরী সাদিত, শাকিল হারুন, পতেঙ্গা থানা শ্রমিক লীগ সভাপতি মো. আলী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক তরুণ লীগের সভাপতি আশরাফুল গণি।

অনুষ্ঠানে সাংগঠনিক রির্পোট পর্যালোচনা করে বক্তব্য রাখেন এস এম ইউসুফ হায়দার ও মো. ফোরকান।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ৪১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর আলম, ৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এস এম আবু তাহের, ৪১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মাঈনুল ইসলাম, মহানগর যুবলীগ নেতা বখতিয়ার ফারুক, আলহাজ্ব জাবেদ হোসেন, হারুন অর রশিদ আলম,অলিউর রহমান সোহেল, যুবনেতা লিটন মহাজন, জহির উদ্দিন সুমন, নগর ছাত্রলীগ সহ সভাপতি নাজমুল হাসান রুমি, শহিদুল ইসলাম শহিদ, মো: আলমগীর হোসেন, ইয়াসিন ভূইয়া, হাজী মো: নুরুজ্জামান, কার্তিক রঞ্জন শীল।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কামরুল হোসেন, শাহেদ বশর, বরকত উল্লাহ, ছাগির আহমদ, হাজী নুরুল হুদা, মো: ইদ্রিস, মো: জামাল, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুজিব, মো: বেলাল হোসেন, নুরুল আবছার, মহিউদ্দিন মহি, মাসুম, সুমন, সাজ্জাদ, মো: কাইয়ুম, মো: রানা, জর্জিশ শরীফ, মুন্না, ওমর ফারুক নয়, ফরহাদ আকাশ প্রমুখ।

সভায় সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিষ্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে ক্রেষ্ট দিয়ে সম্মাননা দেওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.