নিজস্ব প্রতিবেদক::বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বৃহত্তর চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার ঈদপূনর্মিলনী ও মাসিক সভা রোববার সন্ধ্যা ৭ টায় ওয়েল পার্ক এর হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের সভাপতি আমিনুল হক বাবুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি এবং ওয়েল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম কমু।
সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ক্যাব ইয়থ যুব গ্রুপের সভাপতি চৌধুরী কে এন এম রিয়াদ এর সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি যথাক্রমে প্রকৌশলী তানভীর শাহরিয়ার রিমন, বারকোড গ্রুপের স্বত্ত্বাধিকারী মনজুরুল হক, সাংবাদিক আবসার মাহফুজ, সাইদুল হাসান খান(মিটু), যুগ্ন সম্পাদক যথাক্রমে মাসুদ পারভেজ, ইকবাল হোসেন জনি, এমদাদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইমরান, নোমান উল্লাহ বাহার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. আবু আনিস খান, এড. রিগ্যান আচার্য্য, অর্থ সম্পাদক শেখ ওয়ালিদ হাসান, সমাজ কল্যান সম্পাদক বখতেয়ার উদ্দিন, স্বাস্হ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. দিপক কান্তি বড়ুয়া, সৌমেন তালুকদার ।
এতে সম্মানিত অতিথি হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন পরিবর্তন ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা রোটারিয়ান মোহাম্মদ নওশাদ চৌধুরী (মিটু), নিয়াজ আহমেদ,আইনুল কবির, এড. শাহীন সুলতানা তাম্মি, সাদেকুন নুর বখতিয়ার, এম.ডি সাইয়িদ, মো: সেন্টু, আরেফিন বিল্লাহ সহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সভায় প্রধান অতিথি বলেন দীর্ঘ ৯ বছর ধরে মানবাধিকার সংগ্রামী হিসাবে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ব্যানারে তিনি মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করে চলেছেন এবং তারই ধারাবাহিকতায় আজ তিনি বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি এবং একই সাথে কেন্দ্রীয় ডেপুটি গভর্নরের দায়িত্ব পালন করছেন।
সভাপতি আমিনুল হক বাবু বলেন, নবগঠিত বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বৃহত্তর চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা ইতিমধ্যে শেকল-তালা বন্দি বিলকিসকে শেকল মুক্তি করে তার চিকিতসার ব্যবস্থা করেছেন। ঝুকিপূর্ণভাবে কর্মরত গৃহকর্মী রীমাকে উদ্ধার করে তার পিতা মাতার কাছে হস্তান্থর করেছেন। মায়ানমারের গুলিবিদ্ধ রোহিঙ্গাদের চিকিতসার জন্য আর্থিক সহযোগীতা প্রদান করেছেন, শুধু তাই নয় রোহিঙ্গাদের উপর নির্মমতার বিরুদ্ধে বিশ্ব বিবেকের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এক বিশাল সভার আয়োজন করেছেন। সবুজ চট্টগ্রাম গড়তে ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংগঠনকে বিশ হাজারের অধিক গাছের চারা বিতরণ করেছেন।
শিক্ষকের বেত্রাঘাতে চোখের আলো হারানো মামরাফুলের পাশে দাড়িয়েছেন। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা সমাজে দৃষ্ঠান্তমুলক কাজ করতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি যেখানে মানবাধিকার লংঘন সেখানেই বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আঞ্চলিক শাখা পাশে থাকবে। পরিশেষে সভাপতি নৈশ ভোজের আহ্বানের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
