নিজস্ব প্রতিবেদক::নগরীর বহদ্দারহাট জামে মসজিদে তিনদিনব্যাপী আহলে বায়তে রাসুল (স.) স্মরণে শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলে সমাপনী দিনে (১ অক্টোবর) রবিবার সন্ধ্যায় বক্তারা বলেছেন, ইমাম হোসাইন (রাঃ) ও কারবালার ইতিহাস বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহবান জানিয়ে বিজ্ঞ বক্তারা বলেছেন, বিশ্ব ইতিহাসে কারবালা একটি লোমহর্ষক হৃদয়বিদারক ঘটনা।
কারবালার প্রান্তে ফোরাত নদীর তীরে যেদিন নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন ইমাম হোসাইন (রা.)। সেদিন থেকে ইসলামী আদর্শ প্রকৃত প্রাণশক্তি অর্জন করেছে। কারবালা হল ত্যাগের, শক্তির প্রতিবাদের সফলতা ও বিজয়ের। কারবালা স্মৃতি মুসলিম হৃদয়ে কেবল শোকের আবহ জাগায় না, বরং সাধনা ও সাফল্যের এক নতুন উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। কারবালার শিক্ষা হলো সর্বোচ্চ ত্যাগ ও আত্মোৎসর্গের জন্য প্রস্তুত থাকা।
তিনদিনব্যাপী কারবালা মাহফিল এর আয়োজক বহদ্দারহাট জামে মসজিদের খতিব, ছোবহানিয়া আলীয়া কামিল (এম.এ) মাদরাসার প্রধান মুহাদ্দিস, প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ আল্লামা মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন রশিদীর (মু.জি.আ.) সভাপতিত্বে এই মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছোবহানিয়া আলীয়া কামিল (এম.এ) মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ (মু.জি.আ.)।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিল মোহাম্মদ মোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি, ইতিহাস গবেষক সোহেল মুহাম্মদ ফখরুদ-দীন।
তিনদিনব্যাপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলে আখেরী মুনাজাত করেন বহদ্দারহাট জামে মসজিদের খতিব, ছোবহানিয়া আলীয়া কামিল (এম.এ) মাদরাসার প্রধান মুহাদ্দিস, প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও লেখক আল্লামা মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন রশিদীর (মু.জি.আ.)।
