ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্কের মারিয়া বার্তিরোমোর এক প্রশ্নের জবাবে সৌদি প্রিন্স বলেন, সন্ত্রাস দমনে তার দেশ আরো বেশি কিছু করবে।
তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব ঠিক আগে যেমন ছিল, আবার তেমনই হবে। উদার নীতিতে ফিরে যাবে সৌদি আরব।’
সম্মেলনে শুরুতে সৌদি আরবের রক্ষণশীল সমাজ ব্যবস্থার সমালোচনা করে যুবরাজ সালমান বলেন, ‘উগ্রপন্থা নিয়ন্ত্রণে আরও অনেক কিছু করার আছে। উগ্র চিন্তা-ভাবনা নিয়ে আমরা জীবনের ৩০ বছর নষ্ট আর করব না। আমরা সব ধরনের উগ্র চিন্তাকে এখনই শেষ করে ফেলব।’
সম্মেলনে ৫শ’ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে মিশর ও জর্দানের সঙ্গে স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক জোন গঠনের ঘোষণাও দিয়েছেন ৩২ বছর বয়সী এ যুবরাজ।
রিয়াদে আয়োজিত বিনিয়োগ বিষয়ক এ সম্মেলনটি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম পড়ে যাওয়ার পর নিজেদের পরিবর্তিত অর্থনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাকে বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সামনে তুলে ধরার জন্য এ উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি।
উল্লেখ্য, ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সম্প্রতি দেশটির নারীদের ওপর থেকে গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। সেইসঙ্গে দেশটির নারীরা প্রথমবারের মতো স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা কিংবা কনসার্ট দেখারও অনুমতি পায়।
এসব বিষয় নিয়ে সৌদি প্রিন্স বিন সালমান দেশ-বিদেশে প্রসংশা কুড়ালেও তার পররাষ্ট্র নীতির কারণে সমালোচিতও হচ্ছেন। বিশেষ করে, ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নানা সমালোচনা সহ্য করতে হচ্ছে তাকে। ২০১৫ সাল থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন এই যুবরাজ।
