দিলীপ তালুকদার: লালখাঁন বাজার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুম বলেন, সমাজসেবা, সাহিত্য, সংস্কৃতির মাধ্যমে একজন রাজনীতিবিদ ভালো ও পরিশুদ্ধ মানুষ এতে উজ্জীবনী ভুমিকা রাখে। আগামী নির্বাচনে আমরা নিজের ও দলীয় চাওয়া-পাওয়া বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত প্রার্থীর জন্য নৌকা প্রতীকে এখন থেকে কাজ করতে হবে।
কেননা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া মানে কোন প্রার্থী শুধু বিজয়ী হওয়া নয়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, সমগ্র দল, জাতি , মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে জয়ী করা। এই কথা গুলো একান্ত আলোচনায় বলেছেন, নগরীর লালখাঁন বাজার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুম। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবঙ্গু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৭মার্চের ভাষণ “ইউনেস্কো” এর মেমোরী অব দ্যা ওর্য়াল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার এর মাধ্যমে বিশ্ব প্রামান্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনে আমরা গর্বিত ও আনন্দিত।
আমি মনে করি, শেখ হাসিনার দর্শন, সব মানুষের উন্নয়ন। সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও উন্নয়ন কর্মকান্ড চসিক পুরোপুরী শুরু করেছে। মাননীয় মেয়র, আজম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে এই উন্নয়ন কর্মকান্ডের নান্দনিক দৃশ্য খুব সহসা দৃশ্যমান হবে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। চট্টগ্রামের সাঠিক উন্নয়নে সরকারের গৃহিত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা ও বিশিষ্ট সংগঠক মাসুম বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার সরকার, বার বার দরকার। কর্মীছাড়া নেতার কোন মূল্য নেই। কর্মী জনসমর্থন দিয়েই নেতার পরিচয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে চলছে উন্নয়নের উৎসব। জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কোন বিকল্প নেই। সাবেক ছাত্রনেতা ও বিশিষ্ট
রাজনীতিবিদ মাসুম একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, রাজনীতি করি মানুষের জন্য, ভোগবিলাসের জন্য নয়। মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সকলকে জনমত সৃষ্টি করতে হবে। নীতি, নৈতিকতা ও আদর্শের প্রতি আমি সবসময় অবিচল। দলের যে কোন ক্রান্তিলগ্নে জীবনকে বাজী রেখে পশুশক্তি বা অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে আমি বদ্ধপরিকর। কোন অপশক্তির সাথে কখনো আপোষ করিনি। সত্য, ন্যায়, সততা ও স্বচ্ছ রাজনীতির অগ্রযাত্রায় মানুষের ভালবাসায় আমি কৃতজ্ঞ ও আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।
বিশিষ্ট সংগঠক ও রাজনীতিবিদ দিদারুল আলম মাসুম বলেন, জননেত্রি শেখ হাসিনার ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর। উন্নয়নের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ সহ সর্বক্ষেত্রে স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে আওয়ামীলীগ সরকার। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বাঙালির শ্রেষ্ট অর্জন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার মহানায়ক যার নেতৃত্বে আমরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ি, মুক্তিযুদ্ধ হঠাৎ করে শুরু হয়নি। ১৯৪৬-১৯৭১ সাল পর্যন্ত বাঙালি জাতি সংগ্রাম করেছে। সর্বোপরি ৭১এর ৭মার্চ বিশ্বজোড়া বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ও ২৫মার্চ দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষনা নিহিত আছে। এসব ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মকে জানাতে হবে।
ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস। মু্িক্তযুদ্ধে শহীদ সকলের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা জানাই। আমি মনে করি, মানবতা, শান্তি, সততা, শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা রাজনীতিতে অভ্যন্ত জরুরী। উন্নয়ন ও সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জনগনকে অবহিত করতে দলের নেতাকর্মীগনের অগ্রনী ভুমিকা পালন করা উচিৎ। জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস দমনে দলের নেতাকর্মীদের আরো আন্তরিক হতে হবে। এই দেশে জঙ্গীবাদের কোন স্থান নেই। বর্তমান সরকার দেশ থেকে জঙ্গীবাদ নির্মূলে প্রশাসনিক ভূমিকা রাখায় বর্তমানে দেশে কোন জঙ্গীর কোন তৎপরতা নেই। জঙ্গী দমনে অভিবাবকদের এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। এই ক্ষেত্রে জনসচেতনতার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশী। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ধর্মীয় উগ্রতা দেশের স্বাভাবিক গতিধারাকে ব্যহত করে। জঙ্গী দমনে আইনশৃংখলা বাহিনীর তৎপরতা প্রশংসনীয়।
বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, কারা নির্যাতিত ও ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতা মাসুম বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রকৃত একজন কর্মী হিসেবে রাজনীতি করছি। আওয়ামীলীগের চরম দুঃসময়ে ও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজনীতির মানচিত্রে রাজপথ ছাড়িনি। কোন অন্যায়-অত্যাচারের কাছেই মাথানত করিনি। এ ভাবেই থাকতে চাই। মানুষের সেবায় নিজেকে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত রেখেছি।
তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সরকার অনেকদূর এগিয়ে গেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বর্তমান সরকার বিশ্বের কাছে প্রশংসীত হয়েছে। মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখেছে সরকার। সরকারের সাফল্য অনেক। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে বর্তমান সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। এই লক্ষ্যে দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ডে আরো বেগবান করা অত্যন্ত জরুরী বলে আমার বিশ্বাস।
