নিজস্ব প্রতিবেদক : ফটিকছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বৈদ্যুতিক বিল পরিশোধ করলেন শিল্পপতি সমাজসেবক ও ফটিকছড়ি আ.লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সাদাত আনোয়ার সাদী।
প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করেন দেন বিদ্যুৎ কতৃপক্ষ। এতে বন্ধ হতে বসা ফটিকছড়ি সদর ২০ শয্যা হাসপাতালের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে হাসপাতালের সেবা কার্যক্রমকে সচল করলেন তিনি। ২৩ ডিসেম্বর (শনিবার) সকালে তিনি হাসপাতালটির বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তাৎক্ষণাৎ বকেয়া বিলের প্রথম কিস্তির অর্থ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা.সাখাওয়াত উল্লাহ খানের হাতে হস্থান্তর করেন। এছাড়াও তিনি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা রক্ষার জন্য ব্যক্তিগত অর্থায়নে ৬ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মীর মাসিক বেতন প্রদানের ঘোষণা দেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, প্রতিষ্টানটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতো বড়ো একটি প্রতিষ্টানে বিদ্যুতের অভাবে সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে; তা কি করে হয়? আমি আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আপামর জনগণের পক্ষে এ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে সেবা কার্যক্রমকে সচল করতে পেরে গর্ববোধ করছি। আমাদের সবার উচিৎ যার যার অবস্থান থেকে দেশ সেবায় এগিয়ে আসা।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের আগষ্ট মাস থেকে ২০১৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত একটানা বিদ্যুত বিল অপিরিশোধিত থাকায় হাসপাতালটির বিদ্যুত সংযোগ বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ‘বকেয়া বিল পরিশোধের ব্যাপারে বার বার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোন সমাধান পাইনি। সমাজসেক সাদী ভাই এ বকেয়া বিল পরিশোধ করে সেবা কার্যক্রমকে গতিশীল করলো। এ যুগে সমাজে এমন মানুষ বিরল। তার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রইলো।’
এরপর তিনি ফটিকছড়ি পৌরসভা এবং সুয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদে গরীর ও দুস্থ শীতার্থের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কলেন।
এসময় সাদাত আনোয়ার সাদীর সাথে ছিলেন, ফটিকছড়ি পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ইসমাইল হোসেন, সুয়াবিল ইউপি চেয়ারম্যান আবু তালেব, ইউপি আ.লীগের আহবায়ক বদিউল আলম মাস্টার. মোহাম্মদ হোসেন তালুকদার, পৌর আ.লীগের সেক্রেটারী জসিম উদ্দিন, আ.লীগ নেতা শাহজাহান, এডভোকেট খাইরুল হক, হাসানুল করিম রাসেল, যুবনেতা নজরুল ইসলাম, রাহুল, বাদশা, শরীফ চৌধুরী প্রমুখসহ ইউনিয়ন ও পৌরসভার সদস্য কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।
