বাচ্চার ইমোশনকে ব্যবহার করছে শাকিব

0

বিনোদন জগৎ, সিটি নিউজ :: জয়কে দেখতেই ঢাকায় এসেছিলেন শাকিব খান। দেশে ফিরেই এমন কথাই জানিয়ে ছিলেন শাকিব খান। কিন্তু ছেলেকে দেখতে দিলেন না অপু বিশ্বাস। শাকিব খানের লোক বার বার ফোন করেও অপুকে পাননি। তাই ছেলেকে না দেখেই শুটিংয়ের শিডিউল মোতাবেক অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে উড়াল দিতে হলো শাকিব খানকে।

এমন খবর প্রকাশের পরই অপু বিশ্বাস দাবি করেন শাকিব খানের এই অভিযোগ মিথ্যে। ছেলেকে দেখতে চেয়ে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগই করেননি শাকিব। আমার ফোন সারাক্ষণ আমার সঙ্গেই ছিল। শাকিবের কোনো কল এতে আসেনি। তার কোনো লোকও আমাকে কল দেয়নি। তবে কেন তিনি মিথ্যে কথা বলছেন যে আমি তাকে একবারের জন্যও বাচ্চার মুখ দেখতে দেইনি।’

একটা কথা বলি বাবা হিসেবে শাকিব চমৎকার কিন্তু সে আমাকে ফোন করেনি। ছেলের জন্য সব বাবার মতোই তারও টান রয়েছে, নিয়মিত কাছে থাকতে না পারার কষ্টও হয়তো আছে। ব্যস্ততার কারণে সে কাছে থাকতে পারে না। কিন্তু যখন সে দেশে আসে সেই সময়টাতে তো ওর উচিত ছেলের কাছে থাকা। ও কখন দেশে আসে কখন যায় কিছুই জানি না আমি। ছেলের সঙ্গেও দেখা করার চেষ্টা করে না। লোকে মন্দ বলবে সেই ভেবে ও নিজের দোষ বারবার আমার ওপর চাপাতে চায়। সেখানে সে বাচ্চার ইমোশন নিয়ে আসে।’

শাকিব ভক্তদের কাছে প্রশ্ন রেখে অপু বিশ্বাস আরও বলেন, ‘শাকিব খান কী দেশের মানুষকে এতো বোকা মনে করে? ছেলেকে দেখতে চাইলে কে তাকে আটকে রাখবে? নিউজ করিয়ে আমাকে খারাপ স্ত্রী প্রমাণ করাই এখন তার উদ্দেশ্য। এতদিন পর এসে ছেলের পাশে একটু সময়ের জন্যও বসতে পারলো না, বাবা হিসেবে লজ্জা হওয়া উচিত ছিল তার। যে বয়সের বাচ্চা বাবা-মায়ের আদরে বড় হয় সে বয়সী জয়ের বাবাকে কাছে না পাওয়ার দুঃখ কী বোঝে শাকিব? উল্টো আমার নামে অভিযোগ করছে।’

ছেলেকে নিয়ে যাবার জন্য শাকিব খানের কাছের মানুষজন আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। আপনি নাকি না করেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, ‘প্রশ্নই আসে না। কেউ যোগাযোগ করেনি আমার সঙ্গে। শাকিব যদি কাউকে দায়িত্ব দিয়েও থাকে সে হয়তো যোগাযোগ না করেই আমার নামে দোষ দিয়েছে। আগেও এমন অনেকবার হয়েছে। ওর কানে আমার নামে নামা কটুকথা ছড়িয়েছে তার চারপাশের মানুষেরা। যারা চায় না শাকিব-অপু সুখে থাকুক। শাকিব হয়তো এসব টের পায় না। আর পেলেও ওদের কথাই বিশ্বাস করে নেয় ভালো মন্দ না ভেবে।

আচ্ছা বলুন তো, বাবা আসবে তার ছেলেকে দেখতে, ছেলের জন্য নানা জিনিস নিয়ে তার জন্য প্রতিবারই এতো নাটকীয়তার কী আছে? বাসায় এসে ছেলেকে দেখতে পারে, সঙ্গে নিয়েও যেতে পারে। তবে ও কেন লোক দিয়ে যোগাযোগের প্রশ্ন আসবে? ছেলেকে দেখার ইচ্ছে থাকলে বাসায় আসতে পারতো। কেউ তাকে বের করে দিতো না। সেটা ভাবার অবকাশও নেই। এর আগেও কিন্তু ও আমার বাসায় এসে ছেলেকে দেখে গেছে। বারবার মনে হচ্ছে, ছেলেকে দেখতে চাওয়ার চেয়ে আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ করাটাই মুখ্য।’

অপু আরও যোগ করেন, ‘শাকিব এবারে এসেছে কবে সেটা আমি জানি না। কিছু নিউজ দেখে বুঝলাম ও চলেও গেছে। আমার এ বাসার ভাড়াটা সেই দেয়। এবারে তাও দিয়ে যায়নি। ওর এসবে কোনো টান নেই, সংসার নিয়ে হয়তো ভাবনাও নেই। ওর ক্যারিয়ার দরকার। ক্যারিয়ারের জন্য ও প্রেম, ভালোবাসা, সংসার, পরিবার সবই জলে ভাসিয়েছে। কিন্তু তাই বলে ক্যারিয়ারের জন্য বাচ্চার ইমোশনকে ব্যবহার করবে! কোনো বাবা এমনটি করে? ক্যারিয়ারই সব নাকি? জীবন কতো বড়ো, দিনশেষে সবাইকেই পরিবারের কাছে আসতে হয়। সন্তানের আদরে বাঁচতে হয়। ওসব কী শাকিব ভাবে কখনো?

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.