বাঁশখালীতে জ্বলন্ত ট্রকের নীচে বাইক হতাহত ৬ 

0

সিটি নিউজ, বাঁশখালীঃ বাঁশখালীতে ট্রাকের সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হয়ে জ্বলন্ত ট্রাকের নীচে মোটর সাইকেল আরোহী ৩ জন নিহত ও ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছে। গুরুতর আহত ৩ জনকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আজ সোমবার (৯ জুলাই) দুপুর ১.৩০ মিনিটের দিকে বাঁশখালী উপজেলার  শেখেরখীল রাস্তার মাথা এলাকার দক্ষিন পাশে প্রধান সড়কে চট্টগ্রাম শহর থেকে ট্রাকটি শেখেরখীল রাস্তার মাথায় পৌঁছলে ট্রাকের সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হয়ে ট্রাকটিতে আগুন ধরে যায়।

পড়ে রয়েছে নিথর দেহ
পড়ে রয়েছে নিথর দেহ

বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটর সাইকেল সামনে পড়ে যায়। মোটর সাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জ্বলন্ত ট্রাকের নীচে চলে যায়। ঘটনাস্থলে ট্রাক ড্রাইবারসহ নুর হোসাইন (৩০) নামে একজন পুড়ে মারা যায়। নুর হোসাইন শেখেরখীল ছমদ আলী সিকদার বাড়ীর ৮ নং ওয়ার্ডের মৃত মোতাহের ইসলামের পুত্র বলে জানা গেছে।

আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া হেলপার
আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া হেলপার

অপরদিকে পুইছুড়ি প্রেম বাজার থেকে বাঁশখালী উপজেলার সদরের দিকে মোটরসাইকেল নিয়ে আগত এম এস এগ্রো ক্যামিকেল কীটনাশক কোম্পানীর বাঁশখালীতে কর্মরত আব্দুল লতিফ ট্রাকটি ক্রস করার সময় নীচে পড়ে যায়। এতে দুজন ঘটনা স্থলেই মারা যায় এবং আর একজনকে ‍উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

আব্দুল লতিফ (৪৫) বরিশাল জেলার মুলাদী থানার হোসনাবাগ এলাকার গাছুয়া ইউনিয়নের মৃত শাহআলম খানের পুত্র। ৩জন একই বাইকে করে আসার পথে জ্বলন্ত ট্রাকটির মুখোমুখি হয়ে তারাও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে মোটরসাইকেলটি ট্রাকটির নিচে পড়ে সকলে আগুনে পুড়ে যায়।

আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া হেলপার
আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া হেলপার

 

অপরদিকে আগুনে পুড়ে যাওয়া গুরুতর আহত চকরিয়া দুলহাজারা মালুমঘাট এলাকার আব্দুর রশিদের পুত্র নুরুল কবির (২২) ,কক্সবাজার ফিসারীঘাট নতুন পাড়া এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদের পুত্র সালামত (৪০), কক্সবাজার মালুমঘাট এলাকার কামাল উদ্দীনের পুত্র নুরুল আলম (২০) এর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদের কে চট্টগ্রাম চমেক হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগে কর্মরত ডাক্তার মনিরা ইয়াছমিন ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ট্রাকে পুড়ে যাওয়া রোগী গুলোর অবস্হা খুবই আশংকাজনক তার মধ্যে একজন হাসপাতালে মারা যায়, অপরাপর গুরুত্বর পুড়ে যাওয়া তাদের অবস্হা ও ভাল না। আমরা তাদের চট্টগ্রাম চমেক হাসপাতালে প্রেরন করেছি।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.