চন্দনাইশ বৈলতলীতে পৃথক ঘটনায় ৩টি মামলা এলাকা পুরুষ শূণ্য
চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ উপজেলার বৈলতলীতে পৃথক পৃথক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২দিনে ৩টি মামলা দায়ের করা হয়। এ সকল মামলায় ১৫ জন আসামীর নাম উল্লেখ করার পরও অজ্ঞাতনামা ৩৫ জনকে আসামী করায় গ্রেফতার আতংকে বৈলতলী দিঘীর পাড় ও ডেবারকুল এলাকা পুরুষ শূণ্য হয়ে পড়েছে।
জানা যায়, ইউনুচ মার্কেট সংলগ্ন কমিউনিটি সেন্টারের সামনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পাড়ার মধ্যে সংঘষে গত ১৩ ডিসেম্বর দুই পাড়ার মধ্যে সংঘর্ষে ২১ জনের অধিক আহত হয়। আহতদের মধ্যে ২ জনকে চমেক হাসপাতালে মুমুর্ষ অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় দিঘীরপাড় এলাকার ব্যবসায়ী কুতুব উদ্দীন সবুজ বাদি হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনকে আসামী করে গত ১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
অপরদিকে প্রতি পক্ষের মনজুরুল আলম বাদী হয়ে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনকে আসামী করে গতকাল ১৫ ডিসেম্বর আরেকটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে গত ১৩ ডিসেম্বর সকালে বৈলতলী জাফরাবাদ এলাকায় বালির মাঠের ঘটনা নিয়ে জাফরাবাদ এলাকায় মৃত আবদুল মালেক চৌধুরীর ছেলে আবদুল মন্নান চৌধুরী বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামী করে গত ১৪ ডিসেম্বর একটি মামলা দায়ের করেন। ফলে ৩টি মামলায় ৪৫ জন এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ৩৫ জন আসামী থাকার কারণে এ সকল এলাকা গ্রেফতার আতংকে পুরুষ শূণ্য হয়ে পড়েছে।
থানা অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দীন সরকার ৩টি মামলা দায়ের হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেছেন, থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম বৈলতলী এলাকায় আসামী গ্রেফতারের দায়িত্ব পালন করছে। বর্তমানে এলাকা শান্তিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে যানা যায়।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার মোস্তফা চৌধুরী দুলাল বলেছেন, হঠাৎ করে তুচ্ছ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। তাছাড়া আরোও একটি ঘটনায় মামলা হওয়ার এলাকায় আতংক বিরাজ করছে। হাসপাতালে চিকিৎসারত রাশেদুল হক প্রকাশ নওশা মিয়া ও মো. কাউছারের অবস্থা গুরতর।
