মোরশেদ রানা : সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা যেন কোন রকম অপরাধ মূলক কার্মকান্ডে জড়াতে না পারে সে জন্য ‘সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন সৌদিআরবে অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাস। বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা ও শ্রম কাউন্সিলর সরওয়ার আলম বলেন, সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা যেন অর্থের লোভে কোন রকম অন্যায় ও অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে জড়াতে না পারে সে জন্য আমরা বিভিন্ন পদেক্ষেপ নিয়েছি যে গুলি প্রক্রিয়াদিন। সৌদি আরবে কর্মরত শ্রমিকদের তালিকাসহ ডাটা তৈরিসহ সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। এবিষয়ে শ্রম-প্রথম সচিব মিজানুর রহমান বলেন, দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সে যেই হোক এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করা হবে।
দূতাবাস সূত্রে জানাযায়, সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশীদের মধ্যে কিছু সংখ্যক বিপদগামি শ্রমিক চাঁদাবাজি, অপহরণসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। সাম্প্রতিক গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়ার মৃত মোশাররফ হোসেন শেখ এর ছেলে সৌদি আরবে রিয়াদের তালাল কোম্পানিতে চাকরিরত রুহুল আমিন (পাসপোর্ট নং ইঊ-০৯০২০১৬) কে অপহরণ করা হয়। গত ১ আগস্ট রাতে তার বাসা থেকে ১০/১২জনের একটি অপহরনকারী দল মাইক্রোবাসে করে রুহুল আমিনকে তুলে নিয়ে যায়।
পরে দেশে ফোন করে তার পরিবারের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরনকারীরা। এসময় তার পরিবারের লোকজন কোন উপায় না দেখে স্থানিয় ডুমরিয়া ইউনিউন চেয়ারম্যান কবির আলম তালুকদারের সাহায্য নেয়। তার মাধ্যমে এবং রুহুল আমিনের খালত ভাই সৌদি আরবে কর্মরত দিপু দূতাবাসের সাহায্যের জন্য যোগাযোগ করলে দূতাবাস কমিউনিটির লোক জন ও প্রশাসনের হস্থক্ষেপে ৪ আগস্ট রুহুল আমিনকে মুক্ত করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ দূতাবাস। উল্লেখ্য,সৌদিআরবে বর্তমানে বাংলাদেশীদের ভিসা খোলা সহ শ্রমিকদের অনেক সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে, যদি আগের মত আবারও অপরাধিরা অপরাধ করতে থাকে সৌদিতে সকল বাংলাদেশি বদনাম হবে, এখানে আমাদের সুযোগ সুবিধা আবারও বন্ধ হয়েযাবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশি প্রবাসীগণ।
