জুবায়ের সিদ্দিকী/গোলাম সরওয়ার : মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার ও নিজের সাজা ঠেকাতে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী বিদেশী লবিংয়ের পেছনেই বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা খরচ করেছিলেন বলে অবগত হয়েছে সরকার। এ বিষয়ে নথিপত্রও উপস্থাপনও করেছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
সরকারের জোগাড় করা তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানকে লবিষ্ট হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন মীর কাসেম আলী। এই প্রতিষ্ঠানের নাম ‘‘ ক্যাসিডি এন্ড এ্যাসোসিয়েট’’। এই প্রতিষ্ঠানের একটি মেমোও হাতে পেয়েছে সরকার। এতে বলা হয়, তারা পেশাগত সেবার জন্য মীর কাসেমের পাঠানো আড়াই কোটি ডলার পেয়েছে।
২০১৪ সালের ৩ নভেম্বর মীর কাসেম আলীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২টি অভিযোগে ফাঁসি ও ৮টি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। এই সাজার বিরুদ্ধে আপিল করলে গত ৮ মার্চ ছয় অভিযোগে মোট ৬২ বছরের কারাদন্ড দেয় আপিল বিভাগ। শুনানি শেষে সেই আবেদনও খারিজ করে রায় দিয়েছে আদালতের আপিল বিভাগ।
আইনজীবীরা জানান, কাসেম আলী বিপুল সম্পদের মালিক। তাকে বলা হয়, জামায়াতের খাজাঞ্চি। দেশে বিদেশে কোটি কোটি ডলার ইনভেষ্ট করা হয়েছে এই বিচার বন্ধ করার জন্য। বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য, ফাঁসি ঠেকানোর জন্য।
