নিজস্ব প্রতিবেদক, সিটি নিউজঃঃ ১৪ দলের সমন্বয়ক ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন,মাঠ দখলে রাখতে হবে, এবার লড়াই হবে শেষ লড়াই। ১৪ দলের নেতাকর্মীরা এখানে আছেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ নেতাকর্মীরা এখানে আছেন। উনারা নির্দেশনা দেবেন।
এবার লড়াই হবে শেষ লড়াই। তাদের ঘরে ঢুকিয়ে দিতেই হবে। সামনে নির্বাচন। এ নয় মাস গুরুত্বপূর্ণ সময়। উল্লাস করার সময় নেই। নির্বাচন হলো অস্বিত্ব রক্ষার লড়াই। এ নির্বাচন হলো আলোকিত বাংলাদেশ ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ থাকবে কিনা?
তিনি বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরীকে যারা ভালোবাসেন, আওয়ামী লীগকে যারা ভালোবাসেন তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী নির্বাচনে কাজ করবেন। শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় আনবেন।’
চক্রান্তকারীদের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে নেতাকর্মীদের মাঠে থাকার নির্দেশনা দিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ও বিএনপির নেতাকর্মীরা যাতে ৮ ফেব্রুয়ারি মাঠে নামতে না পারে,চট্টগ্রামের প্রতিটি উপজেলার গ্রামেগঞ্জে মাঠে থাকতে হবে। তাদের ঘরে ঢুকিয়ে দিতে হবে।
আজ শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে ১৪ দলের আয়োজনে চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ নির্দেশনা দেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি এমপি,
জাসদের নাজমুল হক প্রধান এমপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সদস্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড দিলীপ বড়ুয়া,আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রয়াত মহিউদ্দিনের ছেলে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া,
গণ আজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এসকে শিকদার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাৎ হোসেন, ন্যাপের ইসমাইল হোসেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ -প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন আহমেদ,
উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ সালাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
