সাদার্নে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিদায় ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিটি নিউজ :: সাদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’র ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিদায় ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান-২০১৮ আজ শুক্রবার স্থায়ী ক্যাম্পাস বায়েজিদ’র আরেফিন নগরে অনুষ্ঠিত হয়।
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মঈনুদ্দীন আহমদ খানের সভাপতিত্বে¡ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাদার্ন ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী চৌধুরী।

আরও উপস্থিত ছিলেন সাদার্ন ইউনিভার্সিটির উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর সরওয়ার জাহান, প্রো-ভিসি প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম আলী আশরাফ, প্রফেসর ড. ইসরাত জাহান, রেজিস্ট্রার, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন আল আযহারী, প্রভাষক মুহাম্মদ আলাউদ্দিন চৌধুরী, মো. মহিউদ্দিন, সাংবাদিক, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দসহ শিক্ষার্থীরা।
প্রধান অতিথি লিয়াকত আলী চৌধুরী বলেন, আজ তোমাদের মাঝে উপস্থিত হতে পেরে সত্যি খুব আনন্দ লাগছে। তোমরা যারা শিক্ষা সনদ অর্জন করলে তোমাদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। মনে রাখবে মেধা ও শ্রম দিয়ে অর্জিত ডিগ্রিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। জ্ঞানের মাধ্যমে সমাজকে আলোকিত করতে হবে। নিজের উপর আস্থা রাখবে কারণ অনেক সমালোচনার বাধা পেরিয়ে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে হয়। শুধু এতটুকু বলবো, যে আস্থা ও ভালোবাসায় সাদার্নকে বেছে নিয়েছো তা ব্যর্থ হয়নি। তোমাদের সাফল্য মানে আমাদের স্বার্থকতা।
উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা সরওয়ার জাহান বলেন, অনেক ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি এটাই সাদার্নের সাফল্য। শিক্ষার্থীরাই ইউনিভার্সিটির চালিকা শক্তি, তোমাদের হাত ধরে এগিয়ে যাবে দেশ ও জাতির কাঙ্খিত উন্নয়ন। তোমরা যারা সাদার্ন থেকে ডিগ্রি নিলে তারা আজীবনের জন্য সাদার্নের হয়ে গেলে। জ্ঞান ও মেধা দিয়ে সব ধরনের সমালোচনা ও অপশক্তিকে রুখে দিতে হবে। তোমাদের সাফল্য মানে ইউনিভার্সিটির সাফল্য।
প্রো-ভিসি প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম আলী আশরাফ বলেন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চমৎকার আয়োজনে আমি মুগ্ধ। গতানুগতিক অনুষ্ঠানের ধারা থেকে বেরিয়ে নতুন ধারার শুভ সূচনা করলো এই বিভাগ। মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে বিশ্বব্যাপী সাদার্নের সুনাম ছড়িয়ে দেবে এটাই কামনা করছি।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রকাশনা আল-কিন্দি মোড়ক উন্মোচন করেন। চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
