নিজস্ব প্রতিবেদক:: “কার্যকর টিকা, সকলের সুরক্ষা” এ প্রতিপাদ্য সামনে নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় ২৪ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ পালিত হবে।
এ উপলক্ষে সোমবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে নগরভবনে কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন প্রধান অতিথি ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলীর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এ্যাডভোকেসী সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সার্ভিল্যান্স এন্ড ইম্যুনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আরাফাত উল আলম জাতীয় বিশ্ব টিকাদান বিষয়ে স্লাইড শো উপস্থাপন করেন। সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ডাক্তার, টিকাদানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এনজিও কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রধান অতিথির ভাষনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ১৯৮৮ সন থেকে রুটিন টিকাদান কার্যক্রম অত্যন্ত সফলতার সাথে পরিচালনা করে আসছে। যার ফলে ২০১৫ সনে হাইস্ট ইমপ্রুভমেন্ট এ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন।
তিনি বলেন, ১০ রোগের জন্য এ টিকা দেয়া হবে। টিকার ফলে যক্ষা, পোলিও মাইলাইটিস, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগ সমূহ, হাম, রুবেলা ও নিউমোকক্কাল জনিত নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। ০ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশু, ১৫ থেকে ১৮ মাস বয়সী সকল শিশু, ১৫ বছর বয়সী সকল কিশোরী এবং ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সের সন্তান ধারণক্ষম সকল মহিলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসবে। নির্দিষ্ট সময়ের বাহিরেও বস্তিতে এবং সন্ধ্যাকালে টিকা দেয়া হবে।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৭টি ইপিআই জোনের আওতায় ১০টি স্থায়ী এবং ৩৪৭টি অস্থায়ী কেন্দ্রে ইপিআই কর্মসূচি পালিত হবে। তিনি আরো বলেন, চলতি বছরে ০ থেকে ১ বছরের শিশু প্রায় ৯০ হাজার ৪ শত ৫৯ জন এবং ১৫ বছর বয়সী কিশোরী প্রায় ৩৯ হাজার ৯ শত ৪০ জন টিকা কর্মসূচির আওতায় আসার সম্ভাবনা আছে। ইপিআই কর্মসূচি সফল করতে তিনি সংশ্লিষ্টদের আহবান জানান।
