জুবায়ের সিদ্দিকী,সিটি নিউজ : আরব আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাশে থাকাসহ আমিরাতের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে সফল অবদান রাখার জন্য সাত লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে থেকে একমাত্র প্রবাসী কমিউনিটি নেতা ইফতেখার হোসেন বাবুলকে “লিভিং অব এ্যাক্সিলেন্স” সম্মাননা প্রদান করেছে আবুধাবী পুলিশ ও আহালিয়া মেডিক্যাল গ্রুপ।
আবুধাবী পুলিশের লে. কর্ণেল সাইয়িদ আল মানছুরী ও আহলিয়া গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ডাঃ গোফাল এর হাত থেকে এই সম্মাননা গ্রহন করেন তিনি। বিশ্বের ১শটি দেশের ১শ জনকে গুনীজন হিসেবে এই সম্মাননা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রায় ৩০টি দেশের রাষ্ট্রদূতসহ বিভিন্ন দেশের কুটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের গৌরব, চট্টগ্রাম বাসীর অহংকার, আমিরাতের প্রবাসীদের সুখ দুঃখের সাথী, সংগঠক, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির লড়াকু সৈনিক ইফতেখার হোসেন বাবুল। একজন ত্যাগী ও দানবীর বাবুল আমিরাতে সকলের প্রিয় বাবুল ভাই হিসেবে।

প্রবাসীদের যে কোন আপদে বিপদে পাশে দাড়ান বাবুল। তিনি আবুধাবীতে বেশ কয়েকযুগ ধরে বসবাস করছেন। বর্তমানে আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এই পদে পর পর কয়েকবার নির্বাচিত ও দায়িত্বপালন করেছেন। অত্যন্ত জনপ্রিয় এই ব্যক্তিত্ব দেশে ও প্রবাসে স্বমহিমায় যেন উদ্ভাসিত।
গত সপ্তাহে আবুধাবীতে এমিরেটস প্যালেস হোটেলে সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছিল। প্রবাস জীবনে প্রবাসীদের কল্যানে নিবেদিত এই মানুষটি সারাজীবন মানুষের উপকার করে এসেছেন। সদালাপী, মিষ্টভাষী, সাধামাটা মানুষ ইফতেখার হোসেন বাবুল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার মরিয়ম নগর গ্রামের মরহুম আলহাজ্ব কামাল উদ্দিনের সুযোগ্য সন্তান। ৪ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি পরিবারের সবার বড়। আবুধাবীতে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সেবা করে প্রশংসার অধিকারী হয়েছেন। দেশের যে কোন সংকটজনক পরিস্তিতিতে তিনি ছুটে এসেছেন সাহায্যের হাত প্রসারিত করে।
বঙ্গবন্ধু কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা যতবার পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গিয়েছেন, আবুধাবীতে যতবারই যাত্রা বিরতি নিয়েছেন ততবারই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে আটক হলে আমিরাতে তিনি “শেখ হাসিনা মুক্তি পরিষদ”গঠন করেছিলেন। আমিরাতের সরকার এই সমাজসেবী ও জনদরদী মানুষকে এ্যাওয়ার্ড প্রদান করে দেশকে সম্মানিত করেছেন।
দেশের মিডিয়াগুলো ইফতেখার হোসেন বাবুল এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির খবরটি বেশ ফলাও করে প্রকাশ করেছে। মানুষ মানুষের জন্য এই ব্রতকে সামনে রেখে নিজের কষ্টার্জিত অর্থে, শ্রমে, মেধায় প্রবাসে বঙ্গবন্ধু পরিষদকে করেছেন একটি শক্তিশালী সংগঠনে রূপান্তরিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রবাস থেকে প্রথম দেশে প্রত্যাবর্তন করার সময় আবুধাবীতে বিমানবন্দরে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের নিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছিলেন।
আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে যে সব শীর্ষ জাতীয় নেতা দেশত্যাগ করে আমিরাতে আশ্রয় নিয়েছিলেন তাদের দেখভাল ও নিরাপত্তা দিয়ে বুকে আগলে রেখেছিলেন দীর্ঘদিন। লোভ, লালসা থেকে দূরে থাকা এই ব্যাক্তির কোন এমপি মন্ত্রি হওয়ার খায়েশ না থাকলেও এই ব্যাক্তিত্বকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কৃত ও সম্মান জনক পদে প্রবাসে বা দেশে প্রতিষ্ঠিত করা বর্তমান সরকারের দায়িত্ব বলে সচেতন মহন মনে করেন। এই মহান ব্যাক্তিত্বকে যথারীতি মূল্যায়ন চায় চট্টগ্রামবাসী।
