সিটি নিউজ অফিস : আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ার আতঙ্কে রয়েছেন অনেক সংসদ সদস্য (এমপি)। জানা যায়, বর্তমান অর্ধশতাধিক এমপি বাদ পড়বেন। নির্বাচন যে ফর্মেই হোক বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে সেই নির্বাচন কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে এবং আওয়ামী লীগকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে দলের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ ব্যাপারে দলীয় এমপিদের বারবার সতর্ক করেছেন। গত ৫ জুলাই আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী নির্বাচনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যেভাবেই হোক বিএনপি নির্বাচনে আসবেই। আগামী নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে, অত্যন্ত কঠিন হবে। আমার কাছে জরিপ রিপোর্ট আছে, আরও জরিপ হবে। যাদের জনপ্রিয়তা আছে তারাই মনোনয়ন পাবেন। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, টানা দুই মেয়াদে দল ক্ষমতায় থাকায় বর্তমানে যারা এমপি রয়েছেন তাদের কারো কারো মধ্যে নানা সমস্যা তেরি হয়েছে। কারো কারো বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, জনবিচ্ছিন্ন, নেতাকর্মীদের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পাড়ার অভিযোগ রয়েছে। এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট আছে। এরাই বাদ পড়বেন।
দলকে বিজয়ী করতে হলে যারা নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসতে পারবেন তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী তো বারবারই স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন যাদের পারফরমেন্স ভালো না তারা মনোনয়ন পাবেন না। কাজেই আতঙ্কিত হওয়াটা স্বাভাবিক।
এবিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যারা নিজের অবস্থান নষ্ট করেছেন তারা তো আতঙ্কিত হবেনই। তবে এ বিষয়গুলো নির্ভর করবে নির্বাচনের আগে জাতীয় রাজনীতির গতি প্রকৃতির ওপর, জাতীয় রাজনীতি কোন পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে। জোটের কারণে অনেক যোগ্য প্রার্থীও মনোনয়ন থেকে বাদ পড়তে পারেন। নেত্রী তো কাউকে সরিয়ে দিতে চান না। কেউ যদি তার অবস্থান ধরে রাখতে না পারে তাহলে তো কিছু করার নেই। তা না হলে তো পার্টি দুর্বল হয়ে যাবে।
