ওবায়দুল কাদেরের অবস্থার উন্নতি হলেই বিদেশে নেওয়া হবেঃ তথ্যমন্ত্রী

0

সিটি নিউজ ডেস্কঃ তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতি হলেই তাঁকে বিদেশে নেওয়া হবে।

ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে গিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে বিদেশে নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতি হলেই তাকে বিদেশে নেওয়া হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মেডিকেল ইস্যুতে ডাক্তারই বলবেন। আমাদের দলের পক্ষ থেকে ওনাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা নিচ্ছি। আশা করছি তাকে সহসাই সিঙ্গাপুর নিয়ে যেতে পারব।

তবে বেলা সোয়া দুইটার দিকে বিএসএমএমইউর কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান সৈয়দ আলী আহসান সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেন, এই মুহূর্তে ওবায়দুল কাদের সিঙ্গাপুরে পাঠানো যা‌বে কি না—য‌দি শুন‌তে চান, তাহ‌লে আমি বল‌ব—না। তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো যা‌বে না। মে‌ডি‌কেল বো‌র্ডের সিদ্ধান্ত আছে যে তার যেমন চিকিৎসা চল‌ছে, সেটাসহ আরও সর্বাত্মক চেষ্টা চা‌লি‌য়ে যাওয়া। এর আগেও তার হার্ট অ্যাটাকের হিস্ট্রি ছিল। যে‌হেতু তিনি ভে‌ন্টিলেশনে আছেন; তার জীবন শঙ্কা আছে বল‌তে পা‌রেন না।

এর আগে আজ রবিবার (৩ মার্চ) ভোরে বুকে ব্যথা অনুভব করলে ওবায়দুল কাদেরকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। বর্তমানে ওবায়দুল কাদের হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইউ) ২ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কাদেরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান সৈয়দ আলী আহসান বলেন, ওবায়দুল কাদেরের হার্টের এনজিওগ্রাম করা হয়েছে। তিনটি ব্লক ধরা পড়েছে। এর মধ্যে একটি ওপেন করা হয়েছে। সকালের চেয়ে এখন শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও পরিস্থিতি সংকটাপন্ন, ৭২ ঘণ্টা না গেলে কিছু বলা যাবে না।

উল্লেখ্য, ৬৭ বছর বয়সী ওবায়দুল কাদের ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবরে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তার আগে ছয় বছর তিনি দলের সভাপতি মণ্ডলীতে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর আড়াই বছর কারাগারে ছিলেন কাদের। সেখান থেকেই তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। পর পর দুই মেয়াদে তিনি ওই দায়িত্বে ছিলেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.