সিটি নিউজ ডেস্কঃ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলের সপ্তম কাউন্সিলের প্রস্তুতি হিসেবে কমিটি পুনর্গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, দলকে শক্তিশালী করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন বেগবান করতে জেলায় জেলায় সাংগঠনিক কমিটি পুনর্গঠন কাজও শুরু হয়েছে।
আজ শনিবার (২২ জুন) নবনিযুক্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুজন সদস্যকে নিয়ে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা নতুন স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে আবার শপথ গ্রহণ করেছি যে, খালেদা জিয়া এবং গণতন্ত্রের মুক্তির আন্দোলনকে আরও বেগবান করবো। অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের যে প্রতিনিধি তা নির্বাচন করতে হবে।
তিন বছর মেয়াদী কাউন্সিলের সময়সীমা অতিক্রম হওয়ার পর স্থায়ী কমিটির পুনর্গঠন করার কারণ জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের যেকোনো সময় নিয়োগ দেওয়া যায় ও নির্বাচিত করা যায়। এ বিধান রয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসনের অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও স্থায়ী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা প্রয়োজন হলে স্থায়ী কমিটিতে সদস্য মনোনয়ন দিতে পারবেন এবং নির্বাচিত করতে পারবেন। এ ক্ষমতা তাদের দেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা শূণ্যপদগুলোতে আমাদের প্রবীণ নেতা, যারা ইতিমধ্যে দলের মধ্যে দীর্ঘকাল অবদান রেখেছেন এবং তাদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন তাদেরকে নিযুক্ত করছি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের অনেকগুলো পদ শূণ্য রয়েছে। ফাঁকা পদগুলো প্রয়োজনে যথাসময়ে পূরণ করা হবে। এসময় নবনিযুক্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আমাদের অভিজ্ঞতা দিয়ে স্থায়ী কমিটিতে আমাদের প্রস্তাব গুলো রাখবো। আমরা আন্দোলন সংগ্রামে ছিলাম, এখনো আছি। গণতন্ত্র এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন ও সংগ্রাম ত্বরান্বিত করার জন্য আমাদের একীভূত ভূমিকা থাকবে।
স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, আমরা তৃণমূল পর্যায়ে রাজনীতি করে এসেছি। এখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা। আমরা স্থায়ী কমিটিতে এমন কিছু কর্মসূচি নির্ধারণ করবো যাতে আমাদের দল সংগঠিত থাকে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকে।
