সিটি নিউজ ডেস্কঃ শেখ ফজলে শামস পরশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে শেখ মনির বড় ছেলে। তার পিতা শেখ মনিই ছিলেন যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা। সম্প্রতি বিভিন্ন দুর্নীতি তথা ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে ভাবমূর্তি সঙ্কটে থাকা আওয়ামী যুবলীগের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ৫১ বছর বয়সী পরশ এতদিন রাজনীতি থেকে দূরেই সরিয়ে রেখেছিলেন নিজেকে। শিক্ষকতা নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির এই সাবেক ছাত্র।
রাজনীতির কঠিন পরিমন্ডলে ঢুকেই অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি তিনি। কয়েকজন বিতর্কিত নেতার কারণে প্রশ্নবিদ্ধ সংগঠন যুবলীগকে গোছানোর দায়িত্ব বর্তেছে তার উপর। তিনি সংগঠনটির সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। শেখ ফজলে শামস পরশ জানালেন, অভিযুক্ত কেউ তার সংগঠনে জায়গা পাবে না।
যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, একদিকে আমি এসব বিষয়ে সচেতন এবং উদ্দীপনা কাজ করছে। আমার সুযোগ হয়েছে একটা পরিবর্তন আনার এবং কিছু করার।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক ভাবে যাদের মেধা আছে এবং অভিজ্ঞতা আছে তারা হয়তো সিস্টেমের অভাবে হয়তো সাংগঠনিক পরিচ্ছন্নতার অভাবে তারা পিছিয়ে আছে তাদরকে নির্ধারণ করতে হবে।
শেখ ফজলে শামস পরশ আরও বলেন, যাদের নামে অভিযোগ আছে তাদরকে সরে দাঁড়াতে হবে। অভিযুক্তদের অব্যাহতি দেওয়া হবে। দলীয় ফোরামে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিবো কবে নাগাদ দেওয়া যায়। তবে অব্যশই ত্যাগী ও সংগ্রামী নেতারা একটা জায়গায় রাখবে। সাবেক ছাত্রনেতারা একটা জায়গায় পাবে। ত্যাগী মনোভাব, কাজের গতি এবং দেশপ্রেম থাকলে এটাই সম্ভব।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২৩ নভেম্বর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে যুবলীগের সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসে শেখ ফজলে শামস পরশ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মাঈনুল হোসেন খান নিখিল। আগামী তিন বছর যুবলীগের নেতৃত্ব দেবেন তারা।– খবর ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন।
