সিটি নিউজ ডেস্কঃ গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আইয়ুব খানের পতনও আমরা দেখেছি। তিনিও উন্নয়ন উন্নয়ন করতেন। তাঁর পতনও আমরা দেখেছি। উন্নয়নের কথা বলে যে পতন হয় তার সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ ছিল আইয়ুব খানের ব্যাপারে।
তিনি বলেন, আইয়ুব খান সব সময় জোর দাবি করতেন উন্নয়নের। উন্নয়নের কথা মুখে বলা হয়। কিন্তু তথ্যগুলো দেখেন। এত ঋণের বোঝা বাড়ছে কেন? করের টাকায় সরকার রাষ্ট্র চালাতে পারছে না। ঋণ করে চালাতে হচ্ছে।
আজ শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে জেএসডির কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. কামাল বলেন, যে ঐক্য হয়েছে তা স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। যে দাবি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল তা ভোগ করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
সরকার বিরোধী কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য বিরোধী রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোকে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। তাদের শরিক জোট ও বাম জোটের নেতারাও বলেছেন, রাজপথে নেমে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার।
গণফোরাম সভাপতি বলেন, দেশে যে ধরনের শাসন ব্যবস্থা চলছে সেটা সংবিধানের কথা মতো চলছে না। শহীদেরা জীবন দিয়ে এ দেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। স্বাধীনতার ফসল কেউ কেউ ভোগ করতে দিচ্ছে না। দেশে গণতন্ত্র কার্যকরভাবেও কেউ ভোগ করছে না। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কামাল হোসেন বলেন, আপনারা নির্বাচন দেন। প্রথমে নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন করতে হবে সৎ এবং সুস্থ।
কাউন্সিলে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
জেএসডির কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির সদস্যসচিব শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনের পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার, বিকল্পধারার নুরুল আমীন ব্যাপারী, জেএসডির তানিয়া রব, মো. সিরাজ মিয়া প্রমুখ।
