জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় সরাসরি জড়িত ছিলঃ প্রধানমন্ত্রী
সিটি নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিল জিয়াউর রহমান।
আজ রবিবার (১৬ আগষ্ট) বিকেলে শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আয়োজিত স্মরণসভার সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এই আলোচনা সভায় যুক্ত হন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের নীতি-আদর্শ নস্যাৎ করতে চেয়েছিল ঘাতকেরা। খুনের সাথে জড়িত ছিল বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর গঠিত আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান টমাস উইলিয়ামকে বাংলাদেশে আসার ভিসা দেয়নি জিয়াউর রহমান। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার আইন করে বন্ধ রেখেছে এবং পাকিস্তানি মদদদাতা আলবদর, রাজাকার, আল-শামসদের মন্ত্রী-উপদেষ্টা করে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, মীরজাফরের মতোই খুনি মোশতাককে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে ক্ষমতা হাতে নিয়েছিল জিয়াউর রহমান। খুনিদের বিচার বন্ধ করা, তাদের ব্যাংকক হয়ে লিবিয়া পাঠানোসহ সব কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে জিয়াউর রহমান এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় ছিল।
স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, রাষ্ট্রপতির মেয়ে হয়েও তাদের নাম-পরিচয় গোপন করে নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয়েছে। খুনিরা বিভিন্ন দূতাবাসে আরাম-আয়েশে জীবন কাটিয়েছে। খুনিদের বিচার না করার ইনডেমনিটি দিয়েছিল জিয়াউর রহমান আর সন্ত্রাসীদের ইনডেমনিটি দিয়েছিল তার স্ত্রী খালেদা জিয়া।
বঙ্গবন্ধু কন্যা অভিযোগ করেন- জিয়াউর রহমান খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে শুধু পৃষ্ঠপোষকতায় করেননি, ইনডেমনিটি বিল জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ বন্ধ করেছিলেন। জিয়া মুক্তিযাদ্ধা, তবে তার সাথে পাকিস্তানের যোগাযোগ ছিলো।
