গাজার প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

0

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ডি ফ্যাক্টো প্রধানমন্ত্রী রাহী মুস্তাহাসহ আরও দুই উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি করেছে দখলদার ইসরাইল।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ও তেল-আবিব ভিত্তিক নিরাপত্তা পরিষেবা শিন বেট বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তিন মাস আগে গাজার প্রধানমন্ত্রী রাহী মুস্তাহা, হামাস কর্মকর্তা সামেহ আল-সিরাজ এবং সামি ওদেহকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিলো। ওই হামলায় তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে যা সাম্প্রতিক সময়ে নিশ্চিত করা গেছে।

হামাসের পক্ষ থেকে প্রতিরোধ আন্দোলনের সিনিয়র তিন কর্মকর্তাদের মৃত্যুর বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের যেন মনোবল না ভাঙে সেজন্য এতদিন হামাস এই তথ্য গোপন রেখেছিলো বলে দাবি তেল আবিবের।

আইডিএফের বরাতে টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাহী মুস্তাহাসহ আরও দুই উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা গাজার উত্তরাঞ্চলের একটি টানেলে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়।

দখলদার বাহিনী দাবি করেছে, ওই টানেলটি “একটি সুরক্ষিত এবং সজ্জিত ভূগর্ভস্থ কম্পাউন্ড” ছিলো। টানেলটি হামাসের কমান্ড এবং নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেখানে দীর্ঘদিন অবস্থান করার মতো রশদও ছিলো।

রাহী মুস্তাহা হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের ডান হাত এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের একজন ছিলেন বলে ধারণা করা হয়।

 

আইডিএফের দাবি, মুস্তাহা এবং সিনওয়ার একসাথে ইসরাইলি কারাগারে সাজা ভোগ করেন এবং পরে হামাসকে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করেন।

মুস্তাহাকে গাজা উপত্যকায় হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোতে সবচেয়ে সিনিয়র ব্যক্তিত্ব হিসাবে বিবেচনা করা হতো।

নাসারুল্লাহকে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করেন খামেনিনাসারুল্লাহকে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করেন খামেনি
গেলো বছরের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ৪১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন এক লাখের বেশি মানুষ।

আইডিএফ বলছে, ৭ অক্টোবরের পরিকল্পনার পিছে যাদের হাত ছিলো তাদের মধ্যে মুস্তাহা একজন। তার মৃত্যুকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছে ইসরাইল।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.